হাইলাইটস
- পঞ্জাবের একাধিক জেলায় বিষমদ খেয়ে কমপক্ষে ২১ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
- ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং।
- প্রশাসনের পদস্থ কর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়েছেন।
এদিন ট্যুইটারে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘অমৃতসর, গুরুদাসপুর এবং তর্ন তরনে বিষমদ খেয়ে অনেকের মৃত্যু হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। আমি এই ঘটনার ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি। জলন্ধর ডিভিশনের কমিশনার এই তদন্ত করবেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সিনিয়র পুলিশ সুপার (SSP) এবং অন্য়ান্য অফিসারদের সঙ্গে সমন্বয় রক্ষা করবেন তিনি। তদন্তে যে কেউ দোষী প্রমাণিত হোক তাকে ছেড়ে কথা বলা হবে না। তার বিরুদ্ধে আইন অনুসারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, গত বুধবার রাত থেকে অমৃতসর, গুরুদাসপুর এবং তর্ন তরনে বিষমদ খেয়ে একের পর এক মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। অমৃতসরের তারসিক্কার মুচ্ছল এবং তাংরা গ্রামে গত ২৯ জুলাই প্রথম ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। এর পর অন্য জেলায় মৃত্যু মিছিল অব্যহত। শুক্রবার আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১। যার পরে সংবাদমাধ্যমের দৌলতে বিষয়টি সামনে আসে। নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। খবর যায় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
গ্রামবাসীদের বক্তব্য, এখানকার একাধিক বাড়িতে বেআইনিভাবে মদ তৈরি হয়। পুলিশ সমস্ত কিছু জেনেও কোনও পদক্ষেপ করে না বলে অভিযোগ তাঁদের। প্রশাসনের পদস্থ কর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়েছেন। গ্রামবাসীদের বক্তব্য নথিভুক্ত করা হচ্ছে।
অমৃতসরে প্রথম বিষমদ খেয়ে মৃত্যুর ঘটনা সামনে নথিভুক্ত হয়েছিল। যে কারণে অমৃতসর (গ্রামীণ)-এর সিনিয়র পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন (STI) করে গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করে দিয়েছে পুলিশ। এই ঘটনায় এক মহিলাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত নাম বলওয়েন্দর কৌর। তার বাড়ি মুচ্ছল গ্রামে। ধৃতের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারা এবং আফগারি আইনের ৬১/১/১৪ ধারায় তারসিক্কা থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।