Covid-19 waste: কলকাতায় ফের খোলা পড়ে পিপিই কিট, কোভিড-বর্জ্য – waste generated from quarantine centres discarded in open, locals fear covid-19 outbreak

এই সময়: পরিত্যক্ত পিপিই কিট ও করোনা-বর্জ্য নিয়ে ফের সাধারণ মানুষের বিক্ষোভ। যা থামাতে শনিবার যেতে হল পুলিশকে। ক্যানাল সার্কুলার রোডের পর এ বার বেহালা চৌরাস্তায়। এলাকার মানুষের অভিযোগ, কিছু দিন ধরেই স্থানীয় একটি নার্সিংহোম থেকে ব্যবহৃত পিপিই কিট, গ্লাভ্‌স, মাস্ক ও কোভিড-বর্জ্য রাস্তায় ফেলা হচ্ছে। বার বার বলা সত্ত্বেও কোনও সুরাহা মিলছে না। এ দিন দুপুরে স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান। শেষমেশ পুলিশ গিয়ে ক্ষুব্ধ লোকজনকে বুঝিয়েসুজিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সম্প্রতি ক্যানাল সার্কুলার রোডে একই কারণে রাস্তা বাঁশ দিয়ে ঘিরে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন এলাকার মানুষ।

আবার শুক্রবার পরিত্যক্ত পিপিই কিট পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে রবীন্দ্র সরোবর লাগোয়া পাশে রোটারি ক্লাব ও লেক ক্লাবের মাঝখানে। এর আগে একই ঘটনা ঘটেছে গড়ফার জীবনানন্দ সেতু, গল্ফগ্রিন, ময়দান এলাকায়।

শুক্রবার রবীন্দ্র সরোবর চত্বরে আসা প্রাতঃভ্রমণকারীদেরই নজরে প্রথমে আসে বিষয়টি। স্থানীয় কোনও বেসরকারি হাসপাতাল কিংবা ক্লিনিক থেকে সেই পিপিই কিট ফেলে যাওয়া হয়ে থাকতে পারে বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের ধারণা। প্রাতঃভ্রমণকারীদের কয়েক জনের বক্তব্য, গাড়ি করে যাওয়ার সময় অনেকে ছুড়েও ওই জায়গায় কিছু জিনিস ফেলেন। সে সব জমে যে আবর্জনার স্তূপ, তার মধ্যেই পড়েছিল পিপিই কিট ও গ্লাভ্‌স।

হাসপাতাল-নার্সিংহোমে ব্যবহৃত কোভিড বর্জ্য, মাস্ক-গ্লাভ্‌স-পিপিই কিট কী ভাবে সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনা করতে হবে, তা নিয়ে কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের সুস্পষ্ট নির্দেশিকা আছে। তার পরেও সেই নিয়ম মানা হচ্ছে না।

কলকাতা পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলীর সদস্য, জঞ্জাল অপসারণ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত দেবব্রত মজুমদার বলেন, ‘যত্রতত্র পিপিই কিট ও গ্লাভ্‌স যাতে কেউ না-ফেলেন, সেই জন্য আমরা বিভিন্ন ভাবে প্রচার চালাচ্ছি। এই প্রচার আরও জোরদার করা হবে। কারণ, এই সব নষ্ট করারও একটা নির্দিষ্ট পদ্ধতি আছে। সাধারণ পুরকর্মীদের যদি এ সব জঞ্জাল নিয়ে যেতে হয়, তা হলে তাঁদেরও করোনায় সংক্রামিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।’

আরও পড়ুন: কলকাতায় করোনা পরীক্ষার নামে প্রতারণা! ভুয়ো রিপোর্টের ফাঁদে পড়ে মৃত প্রৌঢ়

ফুটপাথবাসীদের একটা বড় অংশও মাস্ক ব্যবহার করছেন না। তাতে আরও প্রবল সংক্রমণের আশঙ্কা। সাদার্ন অ্যাভিনিউয়ের একটা অংশে ফুটপাথে প্লাস্টিক টাঙিয়ে কয়েক জন বসবাস করেন। তাঁদের একাংশের বক্তব্য, স্থান সংকুলানের অভাবে মাস্ক ঠিক মতো রাখা যাচ্ছে না। ওই ফুটপাথবাসীদের যুক্তি, তাঁরা এতটাই অপরিসর জায়গায় থাকেন যে, মাস্ক খুলে কখনও বালিশের তলায় রাখছেন আবার কখনও সেটি ফেলে রাখছেন অন্য কোথাও। ফলে, মাস্ক নোংরা হচ্ছে, শেষে নষ্টও হয়ে যাচ্ছে। এক মহিলার বক্তব্য, ‘মাস্ক পরলে কি করোনা হবে না, এমন কোনও কথা আছে! মাস্ক আমাদের দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ও সব বেশিক্ষণ ঠিক থাকে না, ছিঁড়ে গিয়েছে!’

এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

More hotels check into Covid care as number of cases spikes in Kolkata | Kolkata News

Sun Aug 2 , 2020
KOLKATA: Nine more hotels are set to be converted into satellite facilities for hospitals, adding 293 rooms to the current capacity of 233 rooms across eight hotels that have already entered into tieups with hospitals and are acting as Covid-care facilities. “The hotels that are functioning as satellite centres for […]

Breaking News

Recent Posts