এই পরিস্থিতিতে একমাত্র নকশালপন্থীরাই ময়দানে নেমে গেরুয়া শিবিরের বিরোধিতা করতে চলেছে কাল, বুধবার। সিপিআইএমএল (লিবারেশন)-এর রাজ্য সম্পাদক পার্থ ঘোষের বক্তব্য, ‘কোনও ধর্মীয় কর্মসূচিতে সরকারের অংশগ্রহণের এবং ধর্মের সঙ্গে রাজনীতিকে মেশানোর বিরোধিতা করি আমরা। হাতে পোস্টার, ব্যানার নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদ হবে। আমরা ৫ অগস্টকে প্রতিবাদ দিবস বলছি।’ গত বছর ৫ অগস্ট আবার ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল হয়েছিল কাশ্মীরে। সেই থেকে অন্য রকম লকডাউনে উপত্যকা। তা মনে করিয়ে ৬ তারিখ বিকেলে মেট্রো চ্যানেলে এবং ৭ তারিখ যাদবপুর ৮বি বাসস্ট্যান্ডে প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে একাধিক নাগরিক সংগঠন। দেশজুড়ে ভিন্নমতের মানুষকে বন্দি করার প্রতিবাদে আজ, মঙ্গলবার মৌলালির মোড়েও বিভিন্ন সংগঠনের কর্মসূচি রয়েছে।
coronavirus: রাম মন্দির ভূমি পুজো: ‘বিজয় উৎসবে’র ডাক, পাল্টা প্রতিবাদও কাল – debate over lockdown on the day of ram temple bhumi pujan
এই সময়: কাল, বুধবার অযোধ্যায় রামমন্দিরের ভূমিপুজো। সে কথা মাথায় রেখে বুধবার রাজ্যে পূর্বনির্ধারিত লকডাউন প্রত্যাহার করা উচিত বলে দাবি করেছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তার জবাবে তৃণমূলের ফিরহাদ হামিক, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের মতো মন্ত্রীদের বক্তব্য, মানুষকে বাঁচানোই এখন অগ্রাধিকার। তাই লকডাউন নিয়ে রাজনীতি করা উচিত নয়। দিলীপের যুক্তি ছিল, ৫ তারিখ লকডাউন থাকলে রাজ্যের সাধারণ মানুষ দিনটি উদ্যাপন করতে পারবেন না। তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের পাল্টা যুক্তি, ‘বাড়িতেও তো পুজো করা যায়।’ ফিরহাদ বলেন, ‘আমরা সমস্ত রকম ধর্মাচরণকে সমান শ্রদ্ধার চোখে দেখি। কিন্তু লকডাউনটা তো সাধারণ মানুষকে বাঁচানোর জন্যই। করোনার হাত থেকে মানুষকে বাঁচানোই অগ্রাধিকার। এটা রাজনীতির ব্যাপার নয়।’ বস্তুত, রাজ্য সরকার লকডাউনের যে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে তাতেও ৫ অগস্টের লকডাউন যেমন ছিল তেমনই আছে।
