ms dhoni: ইচ্ছে করেই ধোনির মাথা তাক করে বল করেছিলাম, ক্ষমাও চেয়েছিলাম: আখতার – i purposely bowled a beamer to ms dhoni and then apologised to him, says shoaib akhtar

হাইলাইটস

  • ধরাশায়ী হয়ে পড়ছিলেন পাকিস্তানের একের পর এক জাঁদরেল বোলার। সেই দলে ছিলেন শোয়েব আখতারও।
  • কোনও ভাবেই সে দিন ধোনিকে আটকাতে পারছিলেন না আখতার। আর ঠিক এমন সময়েই ধোনির মাথায় তাক করে একটি বিমার (বাউন্সার ধাঁচেরই, কিন্তু আরও আক্রমণাত্মক) ছোড়েন শোয়েব।
  • ধোনির হেলমেটে গিয়ে লেগেছিল বল।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: টাইম মেশিনে ফিরে যাওয়া যাক ২০০৬ সালে। ভারত-পাকিস্তান টেস্ট সিরিজ। ফয়সলাবাদে দ্বিতীয় টেস্ট চলছে দুই দলের। খেলা ততক্ষণে জমে ক্ষীর! কারণ তাবড় পাক বোলারদের বিধ্বংসী মেজাজে জব্দ করছেন মারকুটে ধোনি। সেবারই জীবনের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিটি করেন ধোনি। ১৪৮ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। ১৯টি চার এবং ৪টি ছক্কা দিয়ে সেই ইনিংস সাজিয়েছিলেন এমএস।

ধরাশায়ী হয়ে পড়ছিলেন পাকিস্তানের একের পর এক জাঁদরেল বোলার। সেই দলে ছিলেন শোয়েব আখতারও। কোনও ভাবেই সে দিন ধোনিকে আটকাতে পারছিলেন না আখতার। আর ঠিক এমন সময়েই ধোনির মাথায় তাক করে একটি বিমার (বাউন্সার ধাঁচেরই, কিন্তু আরও আক্রমণাত্মক) ছোড়েন শোয়েব। ধোনির হেলমেটে গিয়ে লেগেছিল বল। আর তার আগে হতভম্ব হয়ে পাঁচ-পাঁচটা ওয়াইড বল করেছিলেন তিনি। ঘটনার ১৪ বছর পর আখতার স্বীকার করলেন, ‘বড় ভুল করেছিলাম সে দিন।’

সম্প্রতি ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার আকাশ চোপড়ার ইউটিউব চ্যানেলে হাজির হয়েছিলেন ধোনি। আর সেখানেই তিনি বললেন, ‘ফয়সলাবাদে সে দিন আমি ৮-৯ ওভার বল করেছিলাম। খুবই দ্রুত সে দিন সেঞ্চুরি করেছিল ধোনি। ইচ্ছে করেই ওই দিন ধোনিকে বিমার ছুড়েছিলাম। পরে ওঁর কাছে ক্ষমাও চেয়ে নিয়েছিলাম।’

এরপরই আখতারের মুখে শোনা গেল একরাশ বিষণ্ণতার সুর। তাঁর কথায়, ‘জীবনে প্রথম বার কাউকে ওই ভাবে ইচ্ছে করে বিমার ছুড়েছিলাম আমি। ওরকম কখনও করা উচিত হয়নি। পরে আমি খুব অনুশোচনা করেছি। ধোনি সে দিন এতটাই ভালো খেলছিল, আর উইকেটও এত স্লো ছিল যে, কিছুই কাজে আসছিল না। যত জোরেই বল করছিলাম, ধোনি মারছিল। হতাশ হয়েই এমন কাণ্ডটা ঘটিয়েছিলাম আমি!’

আরও পড়ুন: ‘কপিল-ধোনি বিশ্বকাপ জিতলেও, সৌরভই ভারতের সর্বকালের সেরা অধিনায়ক’

তবে ঘটনাচক্রে ধোনি টেস্ট এবং ওডিআই দুটিতেই জীবনের পঞ্চম ম্যাচে প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছিলেন। দুটিই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এবং দুই ক্ষেত্রেই তাঁর রান ১৪৮। সেই সিরিজে সদ্য চোট সারিয়ে ম্যাচে ফিরেছিলেন আখতার। তিনটি টেস্ট ম্যাচে মাত্র ৪টি উইকেট তুলেছিলেন তিনি। আখতারের কথা প্রসঙ্গে উঠে এল, ১৯৯৭ সালের চোট তাঁকে কঠিন ব্যথা দিয়েছিল। পরের ১০টা বছর ইঞ্জেকশনের সাহায্য নিয়েই ব্যথা কমাতে হয়েছিল শোয়েব আখতারকে।

MS Dhoni

আখতারের সেই বিমার!

তাঁর কথায়, ‘হরিণের মতো জাম্পিং করতে গিয়ে জীবনের ২-৩ বছর প্রায় শেষ করে ফেলেছিলাম। ১৯৯৭ সালে সম্পূর্ণ ভাবে অকেজো হয়ে যায় আমার হাঁটু। কিন্তু খেলাটা চালিয়ে গিয়েছিলাম। আর তার জন্য রোজই ইঞ্জেকশনের সাহায্য নিতে হত। আমার এখনও মনে আছে, ভারত সে বার যখন পাকিস্তানে এসেছিল, আমার বাঁ পায়ের ফিটবুলা ভেঙে গিয়েছিল। সে বারই ধোনি প্রথম টেস্টে সেঞ্চুরি করে। গোটা ভারতীয় দলই এরকম স্লো উইকেটে খেলার জন্য জোরকদমে প্রস্তুতি নিয়ে এসেছিল।’

এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

Are Baby Boomers Less Sharp Than Previous Generations?

Sat Aug 8 , 2020
Title: Are Baby Boomers Less Sharp Than Previous Generations?Category: Health NewsCreated: 8/6/2020 12:00:00 AMLast Editorial Review: 8/7/2020 12:00:00 AM Source link

You May Like

Breaking News

Recent Posts