Sushant Singh Rajput: রহস্যের কিনারা! অঙ্কিতার ফ্ল্যাটের ৪.৫ কোটি টাকার EMI গুনতেন সুশান্ত, জানাল ইডি – sushant singh rajput was paying emis for rs 4.5 crore flat ankita lokhande lives in: ed sources

হাইলাইটস

  • বেশ কয়েকবছর আগে ওই ফ্ল্যাটটি কেনা।
  • সুশান্ত প্রতি মাসে EMI দিলেও কখনও অঙ্কিতাকে বলেননি যে ফ্ল্যাট খালি করে দিতে।
  • ফ্ল্যাটটি কেনার সময় ডাউন পেমেন্ট কত ছিল তা এখনও জানা যায়নি

এই সময় বিনোদন ডেস্ক: সুশান্ত সিং রাজপুতের বাবা গত মাসেই পটনা থানায় এফআইআর দায়ের করেন রিয়া চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে। কেকে সিং প্রথম থেকেই বলে আসছিলেন তাঁর ছেলের অ্যাকাউন্ট থেকে ১৫ কোটি টাকা সরাসরি গিয়েছে রিয়া চক্রবর্তীর অ্যাকাউন্টে। এই অভিযোগের জেরেই ইডির তরফে ডেকে পাঠানো হয় রিয়াকে। শুধু রিয়াই নন, তাঁর বাবা-ভাই-মাকেও ডেকে পাঠানো হয়। এছাড়াও রিয়া-সুশান্তের প্রাক্তন ম্যানেজার শ্রুতি মোদীকেও জেরা করা হয়। ইডির তরফে জানানো হয়েছিল সঠিক তথ্য দিয়ে সাহায্য করছেন না রিয়া। যে কারণে তাঁদের সব মোবাইল, ল্যাপটপ, আইপ্যাড বাজেয়াপ্ত করা হয়।

কিন্তু এরপরও সুশান্তের ওই ১৫ কোটি টাকা সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ মেলাতে পারছিলেন না ইডির কর্মকর্তারা। ইউরোপ ট্যুর থেকে ফিরে নভেম্বরে সুশান্তের একটি ফিক্সড ডিপোজিট ভাঙেন রিয়া একথা কয়েকদিন আগেই জানায় ইডি। শুক্রবার সকালে তাঁরা জানান, সুশান্তের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ৩৫ লক্ষ টাকা অন্য একটি অ্যাকাউন্টে গিয়েছে ফ্ল্যাটের ইনস্টলমেন্ট হিসেবে। যাঁর অ্যাকাউন্টে গিয়েছে তিনি নিজেকে সুশান্তের প্রাক্তন বান্ধবী বলে দাবি করলেও তাঁর নাম জানা যায়নি। খোঁজ চলছিল সেই রহস্যময়ীর।

এদিন রাতে ইডি জানায়, সুশান্তের ১৫ কোটি টাকার গোলমালের মধ্যে ৪.৫ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে মালাডের একটি ফ্ল্যাটের জন্য। যে সংস্থার ফ্ল্যাট তাদের তরফেই জানা গিয়েছে এই তথ্য। এবং শোনা যাচ্ছে বহুদিন ধরেই ওই ফ্ল্যাটের মালকিন অঙ্কিতা লোখন্ডে। কিন্তু ফ্ল্যাটের প্রতি মাসের EMI দিতেন সুশান্ত। প্রায় ছ’বছরেরও বেশি সময় ধরে সম্পর্কে থাকার পর বিচ্ছেদ হয়ে যায় তাঁদের।

আরও পড়ুন
স্বাধীনতা দিবসে সত্যের খোঁজ, সুশান্তের জন্য হাত জোর করা ছবি পোস্টের আবেদন অঙ্কিতার…

সুশান্তের জীবনে অন্য আর এক রহস্যময়ী? সেই মেয়েরও ফ্ল্যাটের EMI চোকাতেন তিনি!
যদিও অঙ্কিতাকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনও জবাব দেননি। ইডি কর্তাদের প্রশ্নের জবাবে ওই ফ্ল্যাটের কথা জানিয়েছিলেন রিয়া। বলেছিলেন বেশ কয়েকবছর আগে ওই ফ্ল্যাটটি কেনা। সুশান্ত প্রতি মাসে EMI দিলেও কখনও অঙ্কিতাকে বলেননি যে ফ্ল্যাট খালি করে দিতে। ফ্ল্যাটটি কেনার সময় ডাউন পেমেন্ট কত ছিল তা এখনও জানা যায়নি, কিন্তু পাঁচ মাসের EMI দেওয়া বাকি। তবে প্রতিটি টাকা যে সুশান্তের অ্যাকাউন্ট থেকে কাটা হয়েছে সেটা নিশ্চিত।

অঙ্কিতাকে কি অন্যায় ভাবে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হচ্ছে? জানান আপনার মতামত কমেন্ট করে


রিয়ার কাছে অনেক প্রশ্নের উত্তর মেলেনি। ফলে তাঁকে আবারও জেরা করবে ইডি। এমনকী ইডির নজরে সুশান্তের কর্মচারীরাও। এবার জেরার জন্য চাকা হতে পারে অঙ্কিতা লোখন্ডেকে। যে সংস্থা ওই ফ্ল্যাটটি বানানোর দায়িত্বে ছিল তাদেরও ডাকা হবে বলে জানানো হয়েছে ইডির তরফে।

এই সময় ডিজিটালের বিনোদন সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

Department of Posts to issue special cover on Bengal’s COVID-19 warriors

Fri Aug 14 , 2020
  More than 20 doctors and over a dozen police and security force personnel died while battling the COVID-19 pandemic in West Bengal till the second week of August. In an attempt to honour frontline warriors, the Department of Posts will release a special cover on the COVID-19 warriors of […]

You May Like

Breaking News

Recent Posts