বিভিন্ন জেলায় ও রাজ্যগুলিতে চলাচলের উপর আঞ্চলিক ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে বলে বিভিন্ন সূত্রে অভিযোগ পাওয়ার পরেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হয়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব বলেন, এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপের কারণে আন্তঃরাজ্য পণ্য পরিবহণ ও পরিষেবার ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। এতে জোগান ব্যাহত হচ্ছে। কর্মসংস্থানের সুযোগ হারাচ্ছে। যার প্রভাব পড়ছে দেশের অর্থনীতিতে।
চিঠিতে তিনি বলেন, আনলক গাইডলাইনে পরিষ্কার বলা আছে, আন্তঃরাজ্য ও আন্তঃজেলা পণ্য পরিবহণ ও মানুষের চলাফেরায় কোনও নিষেধাজ্ঞা থাকবে না। গাইডলাইনে আরও বলা আছে, এক রাজ্য থেকে আর এক রাজ্যের সীমনা পেরোতে আলাদা করে কোনও অনুমতি, অনুমোদন বা ই-পারমিটের প্রয়োজন নেই। বৈধ লাইসেন্স থাকলেই আন্তঃরাজ্য পণ্য পরিবহণ করা যাবে।
শুধু আর্জি নয়, হুঁশিয়ারিও শুনিয়ে রেখেছেন ভল্লা। তিনি বলেন, ২০০৫-এর বিপর্যয় মোকাবিলা আইন অনুযায়ী, এই নির্দেশিকা না মানলে তা লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে ধরা নেওয়া হবে। তাই, যারা এই নিধেধাজ্ঞা জারি করে রেখেছে, আনলকিং-এর নিয়ম মেনে তাদের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে অনুরোধ করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ নির্মীয়মাণ উড়ালপুলের একাংশ ভেঙে পড়ল গুরুগ্রামে
আরও পড়ুন: কোভিডে ভারতের জোড়া নজির: সংক্রমণ ছাড়াল ৩০ লক্ষ, দিনে রেকর্ড ১০ লক্ষ করোনা টেস্ট
কোন কোন রাজ্য এই নিয়ম মানছে না, তা অবশ্য আলাদা করে উল্লেখ করেননি ভল্লা। ৩ অগস্ট পর্যন্ত চলবে আনলক-৩। দীর্ঘ লকডাউনের পর ১ জুন প্রথম আনলক শুরু হয়। কোভিড নির্দেশিকা মেনে দেশজুড়ে শিল্পাঞ্চল ও অফিস খোলার অনুমতি দেওয়া হয়।
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।
