প্রসঙ্গত, গত ৩১ জানুয়ারি পিপিই কিটের রপ্তানির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। এরই মধ্যে ছিল সব রকমের প্রোটেকটিভ সামগ্রী—সে দমকল কর্মীদের জন্যে তৈরি বিশেষ স্যুটই হোক অথবা বুলেট প্রুভ জ্যাকেট। সোমবার এই নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নিল ডিরেক্টোরেট জেনারেল অফ ফরেন ট্রেড (DGFT)।
টেক্সটাইল ও কমার্স মন্ত্রকের আধিকারিকরা শুক্রবার মন্ত্রিসভার সচিবের সঙ্গে দেখা করে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। সিদ্ধান্ত কেবিনেট সেক্রেটারি স্তরে নেওয়া হলেও চূড়ান্ত নির্দেশিকা প্রকাশ করা হবে বাণিজ্য মন্ত্রক থেকে।
টেক্সটাইল মন্ত্রকের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, পিপিই স্যুটের প্রোডাকশন বাড়তি হয়ে গিয়েছে। মার্চ মাসে সরকাল যে ২০.২ মিলিয়ন পিপিই স্যুটের অর্ডার দিয়েছিল, তাও ডেলিভারি করা হয়ে গিয়েছে। তবে তাঁরা এও জানিয়েছেন বিদেশে পিপিই কিট রপ্তানির উপর থাকবে কিছু শর্ত। একই সঙ্গে খেয়াল রাখা হবে যাতে দেশে পিপিই কিটের কোনও অভাব দেখা না দেয়।
সাউথ ইন্ডিয়া মিলস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কে সেলভারাজু জানিয়েছেন, পোশাকের চাহিদা এখন তলানিতে এসে ঠেকেছে। সেই কারণেই টেক্সটাইল সংস্থাগুলি সরকারের কাছে আবেদন করেছিল পিপিই কিট রপ্তানির অনুমতি দিতে। তিনি এও জানান, বর্তমানে মাসে ১ কোটি পিপিই কিট তৈরি করতে পারেন তাঁরা।
