ভগবানের মার! অর্থমন্ত্রীর মন্তব্য হিন্দুত্বের অপমান, দাবি শিব সেনার সাংসদের

নিজস্ব প্রতিবেদন– করোনার মার। আর তার জেরেই দেশের অর্থনীতির এমন পঙ্গু দশা। জিডিপির অবস্থা মারাত্মক খারাপ। কাজ হারাচ্ছেন বহু মানুষ। নতুন কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে না। আর দেশের অর্থনীতির এই বিপর্যয়কে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতরমন অ্যাক্ট অফ গড বলে আখ্যা দিয়েছিলেন। অর্থাত্, ভগবানের মার। তবে পরিসংখ্যান বলছে, করোনা, লকডাউনের আগে থেকেই দেশের অর্থনীতি ধুঁকছে। যদিও সেই দবি নস্যাত্ করেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীত্ব। তবে নির্মলা সীতারমনের মন্তব্য নিয়ে হইচই হচ্ছে বিস্তর। এবার শিব সেনা সাংসদ সঞ্জয় রাউত দাবি করলেন, দেশের অর্থমন্ত্রীর এমন মন্তব্য আসলে হিন্দুত্বের অপমান।

শিব সেনার মুখপত্রে তিনি লিখেছেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জাতির উদ্দেশে ভাষণের সময় সব ইস্যু নিয়ে কথা বলেন। কিন্তু দেশের বেহাল অর্থনীতি নিয়ে একটিও শব্দ খরচ করেন না। তিনি নির্মলা সীতারমনের মন্তব্য নিয়ে লিখেছেন, ”ভগবানকে দোষী সাব্যস্ত করে দিলেন উনি। এমন বক্তব্য রাখলে কোন আদালতে ওঁর বিচার হতে পারে! দেশের বেহাল অর্থনীতির জন্য দায়ি ঈশ্বর। কী সহজভাবে তিনি এত বড় সমস্যা এড়িয়ে গেলেন! যদি সব কিছু ভগবানের হাতেই থাকে তা হলে দেশে সরকার ও সেনার দরকার কী! তবে এটাও মনে রাখতে হবে, এভাবে ভগবানকে অকারণে দায়ি করাটাও কিন্তু হিন্দুত্বের অপমান।” 

আরও পড়ুন-  নৃশংস! হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে করোনা আক্রান্ত তরুণীকে ধর্ষণ করল অ্যাম্বুলেন্স চালক

ভূমিকম্প, সাইক্লোন, সুনামি, ধূমকেতু পতনের মতোই করোনাকেও প্রাকৃতিক বিপর্যয় বলে দাবি করতে চেয়েছিলেন নির্মলা সীতারমন। আর তাই তিনি ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বলে ফেলেছিলেন- অ্যাক্ট অফ গড। তার পরই যত বিপত্তি। এদিন শিবসেনার সাংসদ সঞ্জয় রাউত বলেন, নোটবন্দি থেকে শুরু করে অপরিকল্পিত লকডাউন, একের পর এক হঠকারী সিদ্ধান্তের ফলে দেশের অর্থনীতির আজ এই বেহাল দশা। বলাবহুল্য, শিব সেনার সঙ্গে এবার সুর মিলিয়েছে কংগ্রেস। তাদের আবার পাল্টা দাবি, জিএসটি এই বিপর্যয়ের জন্য অন্যতম দায়ি। রাহুল গান্ধী জিএসটি-র নতুন নামকরণ করে বলেছেন- গব্বর সিং ট্যাক্স।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

চিন থেকে কারখানা গুটিয়ে ভারতে আনলে দেওয়া হবে বেশি সুবিধে, সিদ্ধান্ত জাপান সরকারের

Sun Sep 6 , 2020
দেশের কোম্পানিগুলিকে তাদের উত্পাদন কেন্দ্র চিন থেকে সরিয়ে আনার লক্ষ্যে ২০২০ সালের বাজেটে অতিরিক্ত ২২.৫ বিলিয়ন অতিরিক্ত বরাদ্দ করেছে জাপান সরকার। Source link

Breaking News

Recent Posts