হাইলাইটস
- কাশ্মীরে ফের জঙ্গি হামলা
- হামলা দক্ষিণ কাশ্মীরের অনন্তনাগে
- নিশানায় সিআরপিএফের পেট্রোল পার্টি
- জখম সিআরপিএফের ২ জওয়ান
- আহতরা হাসপাতালে চিকিত্সাধীন
- জঙ্গিখোঁজে অনন্তনাগে অভিযান
এদিন হামলার পরপরই গোটা চত্বর ঘিরে ফেলা হয়। সিআরপিএফ জওয়ানের আরও ফোর্স ছাড়াও সেনা ও পুলিশের টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। গোটা এলাকা ছানবিন করে চলছে জঙ্গিদের খোঁজ। বুধবার রাত পর্যন্ত কোনও জঙ্গি ধরা পড়েনি। তবে, কুলগমে দুই সন্দেহভাজনক জিগ্যাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।
কাশ্মীর পুলিশের এক কর্তা জানিয়েছেন, সেনা ও কুলগম পুলিশের যৌথ অভিযান চলাকালীন কাজিগুন্ডের জওহর টানেলের কাছ থেকে দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জম্মুর আখনুর থেকে একটি ট্রাকে করে তারা আসছিল। বিশেষ সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ ওই ট্রাকটিকে আটক করে। তল্লাশিতে উদ্ধার হয় প্রচুর পরিমাণ গোলাবারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র। গ্রেফতার করা হয় ট্রাকে থাকা দুই যুবক। ধৃতরা জঙ্গি হ্যান্ডেলার হিসেবে কাজ করে, নাকি তারা নিজেরাও সক্রিয় জঙ্গি– পুলিশ তা খতিয়ে দেখছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ।
কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের তরফে জানানো হয়েছে, আহত দুই সিআরপিএফ জওয়ানের নাম চন্দ্রপল ও সুনীল কুমার। চন্দ্রপলের বাড়ি হরিয়ানায়। সুনীলের উত্তরপ্রদেশে। দু-জনেই বর্তমানে সরকারি হাসপাতালে চিকিত্সাধীন রয়েছেন।
এদিকে, আকুরা মট্টনের মোবাইল চেকপয়েন্টে যৌথ অভিযানে আরও দু’জন ধরা পড়েছে। সেনা ও পুলিশের যৌথ একটি টিম এই অভিযান চালায়। ধৃতরা জঙ্গিদের ওভারগ্রাউন্ড কর্মী বলে পুলিশ সূত্রে দাবি করা হয়েছে। একটি পিস্তল, চারটে গ্রেনেড এবং কয়েক রাউন্ড গুলি তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
কাশ্মীরে চলতি বছরের শুরু থেকেই নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে জঙ্গিরা। বিশেষত, শেষ কয়েক মাসে জঙ্গি তত্পরতা ব্যাপক বেড়েছে। বারবার নিরাপত্তা বাহিনীকেই টার্গেট করা হচ্ছে। কাশ্মীর পুলিশকর্তার দাবি অনুযায়ী, একাধিক অভিযানে অগস্ট পর্যন্ত ২৬ শীর্ষ জঙ্গিকে খতম করা হয়েছে। অধিকাংশই জইশের কম্যান্ডার। এ ছাড়া, সবমিলিয়ে আড়াই হাজারেরও বেশি জঙ্গি চলতি বছর মারা পড়েছে। একাধিক জঙ্গি অনুপ্রবেশের চেষ্টা ভণ্ডুল করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।
