প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ জানতে পারে, ইদানীং স্বামী-স্ত্রীর অশান্তি রোজই লেগে থাকত। দু-জনের হাতাহাতি নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এই অশান্তির কারণ যে সূর্যের চাকরি হারানো, পড়শিরাই পুলিশকে তা জানিয়েছেন। জীবনের এই সংকট কাটিয়ে বেরিয়ে আসার জন্য তান্ত্রিকের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিলেন ওই যুবক। ঘনঘন তান্ত্রিকের কাছে যাওয়া শুরু করেছিলেন।
আরও পড়ুন: সংঘাতের আবহে চিনা বাইক নিষিদ্ধ হল মিজোরামে
মঙ্গলবার বিকেলে তিন মেয়েকে নিয়ে বাপের বাড়িতে গিয়েছিলেন অপর্ণা। সূর্য গিয়েছিলেন ওই তান্ত্রিকের কাছে। সন্ধের সময় স্ত্রীকে ফোন করে ওই তান্ত্রিকের কাছে আসতে বলেন। কিন্তু, স্ত্রী তান্ত্রিকের কাছে যেতে রাজি হননি। এর পরই সূর্য চলে চান শ্বশুরবাড়ি। স্ত্রী ও তিন মেয়েকে নিয়ে বাড়িতে ফিরে আসেন। ঘরে ফিরে দু’জনের তুমুল অশান্তি বেধে যায়। রাগের মাথায় হাতের কাছে থাকা কাটারি দিয়ে স্ত্রীর গায়ে কোপ বসিয়ে দেন। স্ত্রী জ্ঞান হারালে বড়জোড়ার ওই যুবকও ভয়ে আত্মহত্যা করে ফেলেন।
আরও পড়ুন: মোটর বোটে ফের ভারতীয় সীমানায় ঢুকতে গিয়ে তাড়া খেয়ে ফিরল চিনাসেনা
রোজই অশান্তি হওয়ায় প্রতিবেশীরা প্রথমে গুরুত্ব দেননি। পরে, সূর্যের স্ত্রী রক্তাক্ত অবস্থায় জ্ঞান হারিয়ে পড়ে রয়েছেন শুনে, তাঁরাই হাসপাতালে নিয়ে যান। খবর দেওয়া হয় বড়জোড়া থানায়। পুলিশ এসে সূর্যের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে। তাঁর স্ত্রী এখনও কথা বলার মতো অবস্থায় নেই। তাই পুলিশ এখনও বয়ান নিতে পারেনি।
আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ মানসিক অবসাদে ভুগছেন? নির্দ্বিধায় ফোন করে, কথা বলুন। নীচের যে কোনও হেল্পলাইনে ফোন করতে পারেন।
আসরা (মুম্বই) 022-27546669
স্নেহা (চেন্নাই) 044-24640050
সুমাইত্রী (দিল্লি) 011-23389090
কুজ (গোয়া) 0832- 2252525
জীবন (জামশেদপুর) ) 065-76453841
প্রতীক্ষা (কোচি) 048-42448830
মৈত্রী (কোচি) 0484-2540530
রোশনি (হায়দরাবাদ) 040-66202000
লাইফলাইন (কলকাতা) 033-64643267
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।