coronavirus: লকডাউন না-করলে আরও ৩৮ হাজার মানুষ মরত করোনায়, সংসদে জানালেন হর্ষ বর্ধন – 38,000 more die of coronavirus if lockdown is not carried out, says union health and family welfare minister harsh vardhan in parliament

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: সংক্রমণ বাড়তে বাড়তে ভারত যে ভাবে আক্রান্তের নিরিখে দ্বিতীয় শীর্ষ দেশে উপনীত হয়েছে, তাতে অনেকের মনেই লকডাউনের যৌক্তিকতা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, গোটা দেশে সংক্রমণের যখন এমন লাগামছাড়া অবস্থা, তখন অর্থনীতির বারোটা বাজিয়ে কী দরকার ছিল লাগাতার লকডাউন করার? যাঁর মনে যে সন্দেহই থাকুক, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন মনে করেন, কড়া ভাবে লকডাউন জারি করার কারণে কমপক্ষে ৩৭ থেকে ৩৮ হাজার মানুষের জীবন রক্ষা পেয়েছে। করোনা সংক্রমণ থেকে বেঁচেছেন আরও ১৪ থেকে ২৯ লক্ষ মানুষ। না হলে, আমেরিকা ও ব্রাজিলের মতো ভারতেও মৃতের সংখ্যা অনেক আগেই ১ লক্ষ ছাড়িয়ে যেত। বর্তমানে ভারতে করোনায় মৃতের সংখ্যা ৮০ লক্ষের উপর।

এদিন সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনার সঙ্গে মোকাবিলা করা ভারতের সামনে বর্তমানে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ। সাফল্যের সঙ্গে সেই যুদ্ধে লড়াই করছে গোটা দেশ। সঠিক সময়ে লকডাউনের সিদ্ধান্ত এনেক বড় ক্ষতির হাত থেকে বাঁচিয়েছে দেশকে। এরই সঙ্গে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ে ও সাধারণ মানুষের স্বতস্ফূর্ত সহযোগিতায় করোনার সঙ্গে অসম লড়াই করতে পারছে দেশ।

এদিকে, দেশে লাফিয়ে বাড়ছে করোনার হার। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৯২ হাজার ৭১ জন। এই সময়ের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১,১৩৬ জনের। নতুন সংক্রমণ ও মৃত্যুর জেরে দেশে বেড়েছে মোট সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যাও। এখন অবধি দেশে, মোট করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪৮ লক্ষ ৭৮ হাজার ৪২ জন। এর মধ্যে অ্যাক্টিভ কেস রয়েছে ৯ লক্ষ ৮৮ হাজার ৫৯৮ টি। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩৭ লক্ষ ৮০ হাজারেরও বেশি মানুষ। দেশজুড়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ৭৯ হাজার ৭২২ জনের।

অন্য দিকে, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের নয়া বুলেটিন অনুযায়ী, দেশে মোট করোনা টেস্টের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫.৬২ কোটি। নয়া বুলেটিনে মন্ত্রক জানিয়েছে, মে মাসে যেখানে সুস্থ হওয়া রোগীর সংখ্যা ছিল ৫০ হাজার, সেখানে সেপ্টেম্বর মাসে সুস্থ হওয়া রোগীর মোট সংখ্যা ৩৬ লক্ষ। প্রতিদিন এখন সুস্থ হচ্ছেন ৭০ হাজার রোগী, যা রেকর্ড। মোট আক্রান্তের সংখ্যার এক চতুর্থাংশ সুস্থ হচ্ছেন প্রতিদিন, জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী রবিবার আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন, ২০২১ সালের শুরুতেই হাতে চলে আসবে করোনা ভ্যাকসিন। আপাতত কেন্দ্রের প্রধান লক্ষ্য নিরাপদ ও কার্যকরী ভ্যাকসিন বাজারে নিয়ে আসা। এদিন তিনি বলেন, ভ্যাকসিন নিয়ে কোনও প্রশ্ন বা সংশয় থাকলে, প্রথম ভ্যাকসিনটি তিনি নিজেই নেবেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বিবৃতিতে মন্ত্রী জানান, ভ্যাকসিন লঞ্চ করার জন্য কোনও নির্দিষ্টি তারিখ বা দিনক্ষণ ঠিক করা হয়নি। ২০২১ সালের প্রথম চার মাসের মধ্যেই এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে। প্রাথমিক ভাবে তাঁরাই এই ভ্যাকসিন নেবেন, যাঁদের সবথেকে বেশি প্রয়োজন। তার পর গণ-ভ্যাকসিনেশন শুরু হবে।

এত কিছুর মধ্যেও সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যার নিরিখে বিশ্বের সমস্ত দেশের মধ্যে প্রথম ভারত। অর্থাত্‍ এ দেশেই কোভিড-জয়ীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি! তথ্য বলছে, এ দেশে এখনও পর্যন্ত করোনাভাইরাস সংক্রমণ থেকে সেরে উঠেছেন ৩৭ লক্ষ ৮০ হাজার ১০৭ জন। বিশ্বের কোনও দেশে সুস্থতার সংখ্যা এত বেশি নয়। ভারতের পরেই আছে ব্রাজিল ও আমেরিকা। সুস্থতার সংখ্যা যথাক্রমে ৩৭ লক্ষ ২৩ হাজার ২০৬ এবং ২৪ লক্ষ ৫১ হাজার ৪০৬।

এই মুহূর্তে বিশ্বে যে তিনটি দেশ করোনার জেরে সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে, তার মধ্যে ভারত , আমেরিকা ও ব্রাজিল রয়েছে। আর সুস্থতার নিরিখে ব্রাজিল ও আমেরিকার থেকে এগিয়ে গিয়েছে ভারত। গোটা বিশ্বে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ কোটি ৯০ লক্ষেরও বেশি মানুষ। মারা গেছেন ৯ লক্ষ ২৪ হাজারের বেশি।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

Rajnath Singh could give statement in Parliament on India China issue| भारत-चीन मुद्दे पर आज संसद में बयान दे सकते हैं रक्षा मंत्री राजनाथ सिंह

Tue Sep 15 , 2020
भारत-चीन तनाव विपक्ष द्वारा इस मुद्दे पर चर्चा कराये जाने की मांग के बीच सदन में रक्षा मंत्री का बयान काफी महत्वपूर्ण होगा.राजनाथ की हाल में मास्को में चीन के रक्षा मंत्री वेई फेंगहे के साथ मुलाकात हुई थी. कुछ दिन पहले विदेश मंत्री जयशंकर की भी चीन के उनके […]

You May Like

Breaking News

Recent Posts