nepal earthquake: জোরালো ভূমিকম্পে কাঁপল কাঠমান্ডু, তীব্রতা ৬ – nepal: strong earthquake of 6 magnitude shakes kathmandu

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: বুধবার আরও একটা জোরদার ভূমিকম্প কাঁপিয়ে দিল নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুকে। নেপালের রাজধানীকে ঘিরে চারপাশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলেও এই কম্পন অনুভূত হয়। জোরালো ভূমিকম্পের জেরে, বিপদের আশঙ্কায় লোকজন ভয়ে ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসে। ন্যাশনাল সিসমোলজিক্যাল সেন্টার জানাচ্ছে, ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৬। বুধবার সকাল ৫টা বেজে ১৯ মিনিটে ভূমিকম্প আঘাত হানে তিব্বত সীমান্তের কাছে নেপালের সিন্ধুপালচক জেলায়। জাতীয় ভূমিকম্প কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের উত্‍‌পত্তিস্থল কাঠমান্ডু থেকে ১২০ কিলোমিটার পূর্বে, সিন্ধুপালচক জেলার রামচে গ্রামে। ৬-১০ মিনিটে আর একটি আফটার শক হয়। তবে, এই আফটার শকের শক্তি ছিল অনেক কম। রিখটার স্কেলে এর তীব্রতা ধরা পড়ে ৩.৮। উত্‍‌পত্তিস্থল একই জায়গায়। সরকারি সূত্রে খবর, উত্‍‌পত্তিস্থল সিন্ধুপালচকে হলেও মধ্য ও পূর্ব নেপালের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে জোরালো ভূ-কম্পন অনুভূত হয়। রাজধানী কাঠমান্ডুতেও তীব্র কম্পন অনুভূত হয়েছে। কম্পনের জেরে লোকজনের ঘুম ভেঙে যায়। তবে, ক্ষয়ক্ষতি বা মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

করোনা সংকটের মধ্যে ২০১৫ সালের ২৫ এপ্রিলের ভয়াবহ স্মৃতি ফিরল নেপালে। যদিও পাঁচ বছর আগের সেই ভূমিকম্প ছিল আরও বেশি শক্তিশালী। রিখটার স্কেলে তার তীব্রতা ছিল ৭.৮। গোটা নেপালকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল সেই ভূমিকম্প। দুর্যোগে লন্ডভন্ড অবস্থা হয়েছিল কাঠমান্ডুর। ধ্বংসস্তূপ পরিণত হয়েছিল নেপাল। প্রায় ৯ হাজার মানুষের দেহ উদ্ধার হয়েছিল। আহতের সংখ্যা ছিল ২২ হাজার। এটা যদিও বেসরকারি হিসেব। সরকারি হিসেবেও হতাহতের সংখ্যা কম নয়। সরকারি রিপোর্ট অনুযায়ী, পাঁচ বছর আগের ওই ভূমিকম্প মৃত্যু হয়েছিল ৭৭৪৯ জনের। আহত ১৭ হাজারের বেশি।

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু ও পোখারার মাঝখানে লামজুং এলাকা ছিল ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল। নেপাল ছাড়াও সমগ্র উত্তর ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ জুড়ে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়েছিল। প্রথম ভূমিকম্পের ৪০ মিনিট পর দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় ভূমিকম্প আঘাত হানে। ২০১৫-র ওই ভূমিকম্পে ভারতের বিভিন্ন স্থানে অন্তত ৩০ জন এবং বাংলাদেশে কমপক্ষে ২ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছিল।

ভূমিকম্পের জেরে কাঠমান্ডুর দরবার ক্ষেত্রের অট্টালিকা ও সৌধগুলি বিনষ্ট হয়। ১৮৩২ সালে নির্মিত ধরহরা মিনার ভেঙে পড়লে, চাপা পড়ে প্রায় ২০০ জন মারা যান। ভারতে সেই ভূমিকম্পের আঁচ সামান্য় লাগলেও নেপালে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ছিল কমপক্ষে ৩ কোটি ডলার। ১৯৩৪ সালে নেপাল-বিহার ভূমিকম্পের পর ২০১৫ সালের মতো এমন ভয়ংকর প্রাকৃতিক দুর্যোগ নেপালে আর হয়নি।

আরও পড়ুন: ভয়ংকর বিপদের আশঙ্কা? ভারতে শেষ ৬ মাসে ভূমিকম্প হয়েছে ৪১৩ বার!

ন্যাশনাল সিসমোলজি সেন্টারের তরফে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভোরে ৫.৪ কম্পাঙ্কের আরও একটি ভূমিকম্পের উল্লেখ করা হয়েছিল। ভোর ৫টা বেজে ৪ মিনিট ৭ সেকেন্ডে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে ৫০ কিলোমিটার পূর্বে এই কম্পন অনুভূত হয় বলে জানানো হয়েছিল।

আরও পড়ুন: কোভিডে মৃত্যু ৩৮২ চিকিত্‍‌সকের, কেন্দ্রের ‘উদাসীনতা’য় ক্ষুব্ধ IMA-র চিঠি

এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

Video: Crocodile lost hope after trying to swallow a turtle

Wed Sep 16 , 2020
পরবর্তী খবর ৩০ সেপ্টেম্বর বাবরি মামলার রায়, আডবানি-যোশীদের হাজিরার নির্দেশ আদালতের Source link

Breaking News

Recent Posts