সমীক্ষা অনুযায়ী গ্রামের পড়ুয়াদের মধ্যে যেখানে ৬১.৪ শতাংশ ছাত্র পায়ে হেঁটে স্কুলে যায়, সেখানেই শহরাঞ্চলে ৪৯.৪ শতাংশ ছাত্র পায়ে হেঁটে স্কুলে যায়। অন্যদিকে গ্রামে প্রায় ৬৬.৫ শতাংশ ছাত্রী পায়ে হেঁটে রোজ স্কুলে গেলেও শহরে মাত্র ৫০.৮ শতাংশ ছাত্রী স্কুলে যায় পায়ে হেঁটে। পাবলিক ট্রান্সপোর্টের ক্ষেত্রে বাস, ট্রাম, ট্রেনস মেট্রো, ফেরি, কারপুলিং এবং মাসিক ভাড়ার বাসের উপরেই আস্থা রাখেন অভিভাবকরা। এবার নজর ফেরানো যাক অন্যদিকে। গ্রামীণ পড়ুয়াদের মধ্যে ১২.৬ শতাংশ সাইকেলের ব্যবহার করে। সেখানে শহরে মাত্র ৭.৬ শতাংশ স্কুল যাওয়ার সময়ে সাইকেল ব্যবহার করে থাকে। তবে শহরের পড়ুয়াদের মধ্যে ১২ শতাংশ তাদের অভিভাবকের অফিস থেকে দেওয়া গাড়িতে স্কুলে যাওয়া আসা করে বলে দেখা গিয়েছে সমীক্ষায়।
ন্যাশনাল স্ট্যাটিসটিকাল অর্গানাইজেশনের Household Social Consumption: Education-এর রিপোর্ট তৈরি করতে সমীক্ষা চালানো হয়েছে ১.১৩ লাখ বাড়িতে। ২০১৭ সালের জুলাই থেকে ২০১৮ সালের জুন মাসের মধ্যে ৮ হাজার গ্রাম এবং ৬ হাজার আর্বান ব্লকে চালানো হয়েছে এই সমীক্ষা। বিভিন্ন স্তরের প্রায় ১.৫২ লাখ পড়ুয়ারা সামিল হয়েছিল এই সমীক্ষায়।
আরও পড়ুন: সরকারি স্কুলে ছাত্রছাত্রী বেশি বঙ্গেই
উল্লেখ্য, দেশ জুড়ে সরকারি ইউনিফায়েড ডিস্ট্রিক্ট ইনফরমেশন সিস্টেম ফর এডুকেশনের (ইউ-ডাইস) ২০১৯ সালের তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে করা সেন্টার স্কোয়ার ফাউন্ডেশনের সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, দেশে প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়ার সংখ্যা ২৫ কোটি ১০ লক্ষ এবং সেই শিক্ষার্থীর অর্ধেকের সামান্য বেশি (১৩ কোটি ১০ লক্ষ) পাঠরত সরকারি স্কুলে। বাকি ১২ কোটি পড়ুয়া বেসরকারি বিদ্যালয়ের।
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।