তিনিই অসমের প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী। চার বার অসম বিধানসভা ভোটে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৮৮ সালে রাজ্যসভায় আমন্ত্রণ পান।
অসমের প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী গত ৪ বছর ধরে ছেলের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ায় ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন।
আনোয়ারা সে সময় রাজ্য সরকারের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন। গণপূর্ত বিভাগ, শিক্ষাবিভাগের দায়িত্বও পালন করেন নিষ্ঠা সহকারে।
১৯৮৩ থেকে ১৯৮৫ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী অসমের গণপূর্ত বিভাগের (পিডব্লিউডি) মন্ত্রী ছিলেন। তিনি ১৯৭২, ১৯৭৮, ১৯৮৩ এবং ১৯৯১ সালে অসম বিধানসভা (বিধায়ক) পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে অসমে শোকের ছায়া নেমে আসে।
আনোয়ারা তৈমুর ১৯৩০ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৫৬ সালে দেবীচরণ বরুয়া মহাবিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের প্রবক্তা ছিলেন। তিনি জড়িত ছিলেন বিভিন্ন মহিলা সংগঠনের সঙ্গেও।
১৯৭২ সালে অসম বিধানসভার সদস্য হিসেবে যখন তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন, সে সময় শরৎচন্দ্র সিংহের মন্ত্রিসভায় রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছেন।
যোগেন্দ্রনাথ হাজরিকার মন্ত্রিসভার পতনের পর ১৯৭৯ সালের ১২ ডিসেম্বর থেকে অসমে চালু হয় রাষ্ট্রপতি শাসন। কয়েকমাস রাষ্ট্রপতি শাসনের পর প্রধানমন্ত্রীর আদেশে কংগ্রেস(ই) দলের নেত্রী সৈয়দা আনোয়ারা তাইমুরকে অসমের মুখ্যমন্ত্রীর পদে দায়িত্বভার প্রদান করা হয়। ১৯৮১-র ৩০ জুন তিনি মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন।
