নিজস্ব প্রতিবেদন: প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই বিভাজনের রাজনীতিকে আমেরিকা থেকে মুছে ফেলতে চাইছেন জো বাইডেন। আমেরিকাকে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য বদ্ধপরিকর তিনি। বিশ্বমারী পরিস্থিতিতে দেশের বেহাল অর্থনীতির উন্নয়নই হবে তাঁর মূল লক্ষ্য এমনই বার্তা ফুটে উঠছ তাঁর কথায়। বিশ্বের দরবারে আমেরিকাকে সম্মানজনক স্থানে পৌঁছে দিতে চান প্রেসিডেন্ট-ইলেক্ট বাইডেন।
নীল রঙে ভর করে জিতলেও কোনও রঙকেই গুরুত্ব দিতে নারাজ বাইডেন। বাইডেনের কথায়, ‘‘লাল বা নীল রাজ্য নয়, আমার নজরে রয়েছে শুধুমাত্র আমেরিকা।’’
এই বাইডেন সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য-
১) তিনি তাঁর হাই স্কুল ফুটবল দলে খেলেছেন। মিঃ বাইডেন ২২ গজের দলে প্রশস্ত রিসিভার এবং রক্ষণভাগে খেলতেন।
২) বাইডেন কুকুর প্রেমীও। তাঁর কাছে রয়েছে দুটি জার্মান শেফার্ড। নাম চ্যাম্প এবং মেজর।
৩) গাড়ির প্রতিও রয়েছে তাঁর ভাললাগা। তাঁর কাছে এখনও রয়েছে 67 Corvette Stingray। যা তাঁর বাবার কাছ থেকে পেয়েছিলেন তিনি।
৪) লেখালেখি করতেও পছন্দ করেন জো বাইডেন।
৫) ১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে বাইডেনের স্ত্রী নীলিয়া এবং তাদের এক বছরের কন্যা অ্যামি একটি দুর্ঘটনায় মারা যায়।
৬) জো বাইডেন প্রথমবারের মতো সিনেটে নির্বাচিত হয়েছিলেন, তবে ওয়াশিংটন ডিসিতে যাওয়ার পরিবর্তে তিনি উইলমিংটন থেকে প্রতিদিন ট্রেনে চলাচল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যাতে তিনি তাঁর ছেলের সঙ্গে আরও বেশি সময় কাটাতে পারেন।
৭) গাড়ি দুর্ঘটনায় স্ত্রী ও কন্যাকে হারানোর পরে জো বাইডেন তাঁর ছেলের হাসপাতালের বেডের পাশে দাঁড়িয়ে শপথ নিয়েছিলেন।
৮) ছোট থেকে তাঁর কথা জড়িয়ে যেত। সঠিকভাবে স্পষ্ট করে কথা বলতে পারতেন না।
৯) সে সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে নির্বাচিত সবচেয়ে কম বয়সীদের মধ্যে একজন ছিলেন জো বাইডেন। তখন বয়স ছিল ২৯।
১০) হোয়াইট হাউসে আট বছর, জো বাইডেন এবং বারাক ওবামা অবশ্যই ব্যস্ত মানুষ ছিলেন, কিন্তু সাপ্তাহে একটা দিন মধ্যাহ্নভোজে একসঙ্গে সময় কাটাতেন।
১১) জো বাইডেন আইসক্রিম পছন্দ করেন এবং তাঁর প্রিয় পদ চকোলেট চিপস।