নিজস্ব প্রতিবেদন: কৃষি আইনের বিরুদ্ধে টানা সতের দিন ধরে চলছে দিল্লিতে কৃষকদের বিক্ষোভ। শুরু হয়েছে জাতীয় সড় অবরোধ, টোল প্লাজায় অবস্থান। এর মধ্যেই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আনলেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী পীয়ূষ গোয়েল।
শনিবার গোয়েল বলেন, কৃষকদের আন্দোলন আর অরাজনৈতিক নেই। তাদের আন্দোলনে ঢুকে পড়েছে বামপন্থী ও নকশালরা। দেশ বিরোধী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত হয়ে যারা জেলে রয়েছেন তাদের মুক্তির দাবি উঠছে কৃষক আন্দোলন থেকে।
আরও পড়ুন-মর্মান্তিক! ছাদে খেলতে খেলতে এক বছরের মেয়েকে বাঁচাতে ‘মৃত্যুবরণ’ বাবার
Central Intelligence should catch them. If people of a banned org are roaming amid us, put them behind bars. We haven’t found any such person here, if we do we’ll send them away: Rakesh Tikait, Bharatiya Kisan Union when asked if ‘anti-national elements’ got involved in agitation pic.twitter.com/86ph9fEbna
— ANI (@ANI) December 12, 2020
উল্লেখ্য, সরকারের ,তরফে এরকম অভিযোগ ওঠার পর পাল্টা সরব হয়েছেন কৃষকরাও। কৃষক সংগটনের মুখপাত্র রাকেশ টিকায়েত শনিবার পাল্টা দাবি করেছেন, আমরা তো এখানে কারও দেশ বিরোধী গতিবিধি লক্ষ্য করছি না। সরকার যদি তেমন কিছু দেখতে পায় তাহলে তারা তাদের গ্রেফতার করছে না কেন! প্রসঙ্গত, কৃষক আন্দোলনের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে সিপিএম নেতা হান্নান মোল্লা। তিনিও একটি কিষান সংগঠনের নেতা। সরকার হয়তো তাঁর দিকেই ইঙ্গিত করছে। এমনটাই দাবি কৃষকদের একাংশের।
শনিবার FICCI-র এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নয়া কৃষি আইনের পক্ষে জোরাল সওয়াল করেন। তিনি বলেন, কৃষকদের লাভের জন্যই নতুন কৃষি আইন আনা হয়েছে। এতে লাভবান হবেন সব শ্রেণির কৃষকরাই। অনুষ্ঠানে গোয়েল বলেন, ‘ এখন বোঝা যাচ্ছে কৃষকদের আন্দোলন আর শুধু কৃষক আন্দোলনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এর মধ্যে ঢুকে পড়েছে মাওবাদী ও বামপন্থীরা। ফিকির সঙ্গে যেসব শিল্পপতি জড়িত তাদের বলব, আপনারা কৃষি আইনে কৃষকরা কীভাবে লাভবান হবেন তা নিয়ে সরব হোন।’
আরও পড়ুন-পৌষ মেলা বন্ধে সিলমোহর, এবার শুধুই পৌষ উত্সব বিশ্বভারতীতে
গোয়েল এদিন আরও বলেন, নতুন কৃষি আইনে কৃষকরা তাদের খরচের আরও ৫০ শতাংশ বেশি লাভ পাবেন। সরকার তা নিশ্চিত করেছে। গত কয়েক বছরে কেন্দ্র কৃষিক্ষেত্রে তার বাজেট ৬ গুণ বৃদ্ধি করেছে। কৃষি ক্ষেত্রে বিনিয়োগ হয়েছে ১.৩৪ লাখ কোটি টাকা। নতুন কৃষি আইনে কৃষকদের লাভের পাশাপাশি বিনিয়োগও অনেকটাই বাড়বে।