plasma bank: কোভিড চিকিত্‍‌সায় দিল্লিতে দেশের প্রথম প্লাজমা ব্যাংক, ঘোষণা কেজরির – delhi govt to a start plasma bank for treatment of covid-19 patients, says cm arvind kejriwal

হাইলাইটস

  • দিল্লিতে চালু হচ্ছে প্লাজমা ব্যাংক
  • কোভিড রোগীদের চিকিত্‍‌সায় এই ব্যাংক
  • প্লাজমা নিয়ে বিশৃঙ্খলা এড়াতেই এই ব্যাংক
  • করোনা থেকে সেরে ওঠা রোগীরা প্লাজমা দান করবেন
  • সেই প্লাজমা দিয়েই থেরাপি করা হবে করোনায় সংকটাপন্ন রোগীদের

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: করোনাভাইরাসে (coronavirus) আক্রান্তদের চিকিত্‍‌সায় প্লাজমা থেরাপির দিকেই ঝুঁকছে দিল্লি। সোমবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) ঘোষণা করেন, রাজধানীতে একটি প্লাজমা ব্যাংক (plasma bank) তৈরি হচ্ছে। কোভিড আক্রান্তদের চিকিত্‍‌সার কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত। মুখ্যমন্ত্রীর কথা অনুযায়ী, আগামী দু’দিনের মধ্যেই এই প্লাজমা ব্যাংক চালু হয়ে যাবে।

করোনা থেকে সেরে ওঠা রোগীদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী (Delhi CM) এদিন তাঁদের প্লাজমা দান (donate plasma ) করার আর্জি জানান। যাতে বাকি আক্রান্তরাও সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন। প্রচারের জন্য সংবাদমাধ্যমগুলিকেও সদর্থক ভূমিকা নেওয়ার অনুরোধ করেন কেজরি।

অরবিন্দ কেজরিওয়াল জানিয়েছেন, আইএলবিএস হাসপাতালে তৈরি হচ্ছে এই প্লাজমা ব্যাংক। যাবতীয় প্লাজমা সেখানেই সংরক্ষিত থাকবে। কোভিড হাসপাতালগুলি প্রয়োজন মতো সেখান থেকে প্লাজমা সংগ্রহ করবে। প্লাজমাদাতাদের সম্পূর্ণ সুরক্ষার বিষয়টি আশ্বস্ত করেন কেজরি।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, সরকারি, বেসরকারি যে কোনও হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীই ব্যাংক থেকে প্লাজমা নিতে পারবেন। তবে, ডাক্তারদের প্রেশক্রিপশনের ভিত্তিতেই মিলবে এই প্লাজমা। অরবিন্দ এদিন দাবি করেন, গোটা দেশের মধ্যে দিল্লিতেই প্রথম কোভিড (Covid-19) রোগীদের চিকিত্‍‌সায় প্লাজমা ব্যাংক তৈরি হচ্ছে।

সোমবার ডিজিটাল প্রেস ব্রিফিংয়ে অরবিন্দ বলেন, মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেও দিল্লির করোনা চিকিত্‍‌সার জন্য নির্ধারিত হাসপাতালগুলিতে শয্যার সংকট দেখা দিয়েছিল। জুনের প্রথম সপ্তাহেও একটা বেড জোগাড় করতে লোকে হন্যে হয়ে এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে ঘুরেছেন। কেজরি জানান, রোজ গভীর রাতে তিনি একাধিক ফোন পেতেন। সকলের জন্য বেডের ব্যবস্থা করতে গিয়ে রাতের পর রাত জেগেছেন। কিন্তু, সেই ছবিটা এখন বদলেছে বলে দাবি করেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, হাসপাতালগুলিতে বেড বাড়াতে গত মাসে সরকারি তরফে বেশ কিছু পদক্ষেপ করা হয়েছিল। যার জন্য বেডের সংকট আর নেই। কেজরির হিসেব অনুযায়ী, দিল্লিতে করোনা রোগীদের চিকিত্‍‌সায় সাড়ে ১৩ হাজার বেড রয়েছে। ৬০০০ বেডে রোগী রয়েছেন। ৭০০০ বেড এখনও খালি রয়েছে।

কেজরি এদিন বলেন, দিল্লিতে প্লাজমার চাহিদা ব্যাপক হারে বেড়েছে। যে কারণে কিছু দিন ধরেই দেখছি, প্লাজমা নিয়ে একটা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ইদানীং রোগীর পরিবার, স্বজনদের কাছ থেকে প্লাজমার জন্য একাধিক ফোন পাচ্ছি। তিনি উল্লেখ করেন, দু-মাস আগে কয়েকটি রাজ্যের সঙ্গে দিল্লিতেও পরীক্ষামূলক ভাবে প্লাজমা থেরাপি (plasma therapy) শুরু হয়েছিল। প্রথম পর্যায়ে ২৯ জনের উপর পরীক্ষা করা হয়েছিল। যার রেজাল্ট ছিল অত্যন্ত পজিটিভ।

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী জানান, করোনা আক্রান্তরা মূলত দু’টি বড় সমস্যার মুখোমুখি হন। প্রথমত অক্সিজেনের মাত্রা কমে যায়। স্বাভাবিক অক্সিজেনের মাত্রা হওয়া উচিত ৯৫। কিন্তু, তা ৯০, ৮৫ বা ৮০তে নেমে এলে ভয়ংকর। দ্বিতীয়ত, শ্বাস-প্রশ্বাসের মাাত্রা মারাত্মক ভাবে বৃদ্ধি পায়। ফলে, রোগী হাঁপিয়ে যান। করোনা রোগীদের ক্ষেত্রে শ্বাসক্রিয়ার স্তর বেড়ে ২০, ২৫ এমনকী ৩০ পর্যন্ত উঠে যায়। যেখানে স্বাভাবিক হল ১৫। অরবিন্দের কথায়, দেখা গিয়েছে, প্লাজমা থেরাপিতে অক্সিজেন ও রেসপিরেটরি হারের মাত্রা স্বাভাবিক হয়।

মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া পরিসংখ্যা অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত দিল্লির LNJP-তে ৩৫ জনের প্লাজমা থেরাপি হয়েছে। ৩৪ জনই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। অন্য দিকে, বেসরকারি হাসপাতালে ৪৯ জনের মধ্যে ৪৬ জনই সেরে উঠেছেন প্লাজমা থেরাপিতে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

Honorary health workers to get financial incentives, says Mamata Banerjee

Mon Jun 29 , 2020
By: Express News Service | Kolkata | Published: June 29, 2020 2:55:13 am “These HHWs will be specially trained so as to further intensify our focus on the care of pregnant women, infants, immunisation, elimination of TB and other such diseases through household visits,” the CM said. Chief Minister Mamata […]

You May Like

Breaking News

Recent Posts