নিজস্ব প্রতিবেদন: স্বাধীনতার পর এই প্রথম বামশূন্য বিধানসভা। দায় কার? রাজ্যে নেতৃত্বকে কাঠগড়ায় তুললেন সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি (Sitaram Yechury)। শনিবার রাজ্য কমিটির বৈঠকে তিনি বলেন,”সততাই বামপন্থীদের আদর্শ। আমাদের কথা মানুষের কাছে পৌঁছতে পারেনি। সেখানে বিচ্যুতির দায় নেতৃত্বকেই নিতে হবে। শুধুমাত্র আদর্শের মাপকাঠিতে সৎ প্রার্থী দিলেই চলবে না।”
মানুষের কাছে পৌঁছনো যায়নি। তার দায়ভার শীর্ষ নেতাদের নিতে হবে বলে ভরাডুবির পর সাংবাদমাধ্যমে মুখ খোলেন সিপিএমের প্রার্থী তন্ময় ভট্টাচার্য। সেই সুরই রাজ্য কমিটির বৈঠকে শোনা গেল ইয়েচুরির (Sitaram Yechury) গলায়। সূত্রের খবর, নেতৃত্বকে রীতিমতো ধমক দিয়েছেন সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক। তাঁর কথায়,”মানুষের বিশ্বাস অর্জন করতে পারেননি আপনারা। দুটো বিরোধী শক্তি থাকায় মানুষের মনে স্থায়ী জায়গা করতেই হবে।”
লড়াইয়ের ময়দানে তৃণমূল ও বিজেপির সঙ্গে সমদূরত্ব রেখেছিল সিপিএম (CPM)। আলিমুদ্দিনের বক্তব্য ছিল, তৃণমূলকে সরানো ছাড়া বিজেপির সঙ্গে লড়াই অসম্ভব। রাজ্যে সাম্প্রদায়িক শক্তির দাপাদাপির নেপথ্যে রয়েছে শাসক দল। যদিও সিপিআইএমএলের মতো বাম দল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তাদের অভিমত, বিজেপিই পয়লা শত্রু। সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এ দিন জানান,”বিজেপির বিরোধিতা করতে গিয়ে তৃণমূলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।”
সংযুক্ত মোর্চায় আইএসএফের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে ইতিমধ্যেই আপত্তি তুলেছে জেলা কমিটিগুলি। এর পাশাপাশি প্রশ্ন উঠেছে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট নিয়েও। তবে সংযুক্ত মোর্চা টিকিয়ে রাখার পক্ষে মত দেন ইয়েচুরি (Sitaram Yechury)। এ দিন তিনি বলেন,”সংযুক্ত মোর্চা নিয়ে খোলামেলাভাবে ভাবুন, এখন বিতর্কের সময় নয়।” আব্বাস সিদ্দিকীর দলের প্রসঙ্গে ইয়েচুরির বক্তব্য,”আইএসএফ-কে নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠছে কিন্তু আমাদের ভূমিকা কি সঠিক ছিল?”
আরও পড়ুন- TMC-র ৫-র পাল্টা ৫০ আসনে পুনর্গণনা চেয়ে হাইকোর্টে যাচ্ছে BJP