নিজস্ব প্রতিবেদন: রাজ্য জুড়ে বন্যা পরিস্থিতি এখনও জটিল। বেশ কিছু জায়গা জলমগ্ন। জলবন্দী বহু মানুষ। মানুষ ঘর-বাড়ি ছেড়ে উঠে এসেছেন রাস্তায়। সব বয়ে নিয়ে চলে এসেছেন বাসিন্দারা। কেউ নিয়ে এসেছেন গরু আর পরনের শাড়ি। কারও ভরসা একশো মুড়ি। বিভিন্ন জায়গায় চলছে উদ্ধারকার্য। এই পরিস্থিতিতেই আগামীকাল রাজ্যের প্লাবিত এলাকা পরিদর্শনে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শেষ মুহূর্তে, কোনোও পরিবর্তন না হলে আগামী বুধবার হেলিকপ্টারে করে দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আকাশপথে হাওড়া জেলার উদয়নারায়নপুর ও আমতা, হুগলির গোঘাট, খানাকুল ১ ও ২ নম্বর ব্লক এলাকা পরিদর্শন করবেন তিনি।
গত দুদিন ধরে জলের তলায় ঘাটাল-চন্দ্রকোনা রাজ্য সড়ক। অধিকাংশ জায়গায় পানীয় জলের সঙ্কট চরমে। আজ ঘাটালের বন্যা পরিস্থিতি ঘুরে দেখলেন মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। ঘাটালের নদীগুলির জলস্তর আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে,বর্তমানে বিপদসীমার নিচেই রয়েছে নদীগুলির জলস্তর। নতুন করে ঘাটাল,দাসপুরে জল না ঢোকায় এবং আবহাওয়ার পরিবর্তন হওয়ায় দ্রুত জলমগ্ন এলাকাগুলি থেকে জল কমবে এমনটাই আশাবাদী ঘাটাল মহকুমা প্রশাসনের।
অন্যদিকে, কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও ডিভিসি থেকে জল ছাড়ার কারণে জল বাড়ছে ভাগীরথী নদীতে। সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে কালনার নদীর দুই পাড়ের ভাঙনও। পূর্বস্থলী ১ ব্লকের নসরতপুর পঞ্চায়েতের অন্তর্গত জালুইডাঙা এবং নদীর ওপারে মনমোহনপুর ও কিশোরীগঞ্জ এলাকার মানুষজন ভাগীরথীর ভাঙনে জর্জরিত।