technical education course: দুর্দিনের বাজারেও চাকরির সুযোগ, ভর্তি হতে পারেন যে কোনও একটি কোর্সে – online admission resumes in this professional institute amid coronavirus outbreak

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: পথচলা শুরু ১৯২০ সালে। নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে একশো বছরে পা রাখল জর্জ টেলিগ্রাফ। ১৯২০ সালে যে লক্ষ্য নিয়ে হরিপদ দত্ত দ্য জর্জ টেলিগ্রাফ ট্রেনিং ইন্সটিউট নামক কারিগরি শিক্ষা কে‌ন্দ্রের যে চারা গাছ রোপন করেছিলেন
সেটি আজ বৃক্ষে পরিণত হয়েছে। শতবর্ষে পা দিয়ে ঠিক এখানেই আসল সার্থকতা জর্জ টেলিগ্রাফের। এমনই মত এই প্রতিষ্ঠানের বর্তমান পরিচালকদের।

শিক্ষিত ছেলেমেয়েদের কারিগরি প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে পথা চলা শুরু হয়েছিল জর্জ টেলিগ্রাফের। জানা যায়, হরিপদ দত্তর শিক্ষক ছিলেন মিস্টার জর্জ। যিনি ওয়ারলেস টেলিগ্রাফিতে ট্রেনিং দিয়েছিলেন হরিপদ দত্তকে। তাই জর্জ টেলিগ্রাফের প্রথম প্রিন্সিপালের পদে মিস্টার জর্জকে বসিয়েই গুরু দক্ষিনা দিয়েছিলেন বর্তমান কর্ণধার সুব্রত দত্তর পিতামহ। সামান্য পুঁজি নিয়ে ৯৭এ, আপার সার্কুলার রোডে পথচলা শুরু। এরপর প্রতিষ্ঠা হল বিপিন বিহারী গাঙ্গুলি স্ট্রিটের নতুন অফিস। যাকে এই মুহূর্তে জর্জ টেলিগ্রাফের প্রধান সেন্টার বলা যায়। এছাড়াও এই মুহূর্তে ছোট বড় মিলিয়ে মোট সেন্টারের সংখ্যা ৭০টি। যেখান থেকে প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থী কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে কর্মজীবনে পা রাখছেন।

হরিপদ দত্ত ১০০ বছর আগে যখন প্রথম ইনস্টিটিউট গড়েছিলেন, তখন ওয়ারলেস টেলিগ্রাফির বিপুল চাহিদা। সেই সময় বার্তা আদান প্রদানের একমাত্র মাধ্যম ছিল ওয়ারলেস টেলিগ্রাফি বা টরেটক্কা। এই কোর্সের তখন এমন চাহিদা যে, জর্জ টেলিগ্রাফ থেকে কোর্স শেষ করার সঙ্গে সঙ্গেই ইন্ডিয়ান নেভি, রেলওয়ে, পুলিশ, ডিফেন্স সার্ভিসের চাকরিতে যোগ দিতেন শিক্ষার্থীরা। যুগের চাহিদার সঙ্গে এরপর এক এক করে আরও অনেক কোর্স সংযোজিত হয় এই ইনস্টিটিউটে। যা সবটাই চাকরির বাজারকে মাথায় রেখে। অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, এসি ও রেফ্রিরাজেরেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল টেকনিসিয়ান, কম্পিউটার হার্ডওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং ও নেটওয়ার্কিং, ইলেকট্রনিক অ্যান্ড টেলি কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, মোবাইল রিপেয়ারিং টেকনিসিয়ান, কম্পিউটার সফটওয়্যার, ইন্টেরিয়র ডিজাইনিং পাশাপাশি বর্তমান প্রযুক্তির ডেটা সায়েন্স, বিউটি অ্যান্ড ওয়েলনেস, প্যারামেডিকেলের মতো প্রায় ৮০টিরও বেশি কোর্স করানো হয় জর্জের বিভিন্ন সেন্টারে।

করোনা বিপর্যয় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি জর্জ টেলিগ্রাফের চলার পথে। প্রযুক্তির সাহায্যে ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে অনলাইন ক্লাস। এমনকী এর মধ্যেও শিক্ষার্থীদের কথা ভেবেই শুরু হয়েছে অনলাইন অ্যাডমিশনও। লক্ষ্য একটাই, কোনও আগ্রহী ব্যক্তিকে কারিগরি শিক্ষার সুযোগ থেকে যাতে দূরে না থাকতে পারে। বর্তমান সমস্যার মধ্যে জর্জ টেলিগ্রাফ প্রযুক্তিগত ভাবে এমন করে তৈরি হচ্ছে, যাতে কোনও সমস্যাতেই ইনস্টিটিউট তাদের আসল লক্ষ্যে চলার পথে থমকে না যায়।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইতোমধ্যে বহুজাতিক কোম্পানিগুলির সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে জর্জ টেলিগ্রাফ। ফলে বর্তমানে যাঁরা এই প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হচ্ছেন, তাঁদের কর্মসংস্থানের পথ খুলে যাচ্চে। এর বাইরে যে সব বহুজাতিক সংস্থা জর্জ টেলিগ্রাফের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে তারা তাদের মতো করে শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলে চাকরি নিশ্চিত করবে বলে কর্তৃপক্ষের দাবি।

দ্য জর্জ টেলিগ্রাফ গ্রুপে দ্য জর্জ টেলিগ্রাফ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট ছাড়াও আরও প্রায় ১৯টি সংস্থা রয়েছে। এগুলি হল জর্জ কলেজ, জর্জ কলেজ অফ ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড সায়েন্স, জর্জ কলেজ ডিপার্টমেন্ট অফ এডুকেশন, জর্জ কলেজ স্কুল অফ ল’, লিটিল জর্জিয়ান্স, জর্জ টেলিগ্রাফ ইনস্টিটিউট অফ অ্যাকাউন্টস, জর্জ অ্যানিম্যাট্রিক্স, জর্জ স্কুল অফ কম্পিটেটিভ এগজাম, জর্জ টেলিগ্রাফ সেন্টার অফ প্যারামেডিক্যাল সায়েন্স, জর্জ টেলিগ্রাফ কলেজ অফ বিউটি অ্যান্ড ওয়েলনেস, জর্জ টেলিগ্রাফ ইনস্টিটিউট অফ ডেটা সায়েন্স এবং একদম নতুন সংযোজন জর্জ টেলিগ্রাফ ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট।

এতো গেল জর্জ টেলিগ্রাফের কারিগরি শিক্ষার কথা। কিন্তু, এর বাইরেও জর্জ টেলিগ্রাফের আরও একটা দিক রয়েছে। খেলাধুলোর প্রসারেও প্রায় প্রথম সারিতেই অবস্থান করে জর্জ টেলিগ্রাফ। রয়েছে জর্জ টেলিগ্রাফ স্পোর্টস ক্লাব, যারা আইএফএ কলকাতা লিগে ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগানের সঙ্গেই খেলে প্রিমিয়ার ডিভিশনে। একই সঙ্গে খেলছে প্রথম ডিভিশনে সিএবি ক্রিকেট লিগেও।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

‘Search your soul’: Bengal Governor on video of mistreatment of decomposed bodies - india news

Fri Jun 12 , 2020
The issue of decomposed body, allegedly of a Covid-19 patient, being mistreated in West Bengal has brought the ruling Trinamool Congress in the crosshairs of the Opposition and Governor Jagdeep Dhankhar. Dhankar accused the government of not showing respect to the dead. “Anguished at disposal of dead bodies @MamataOfficial -with […]

You May Like

Breaking News

Recent Posts