— দিল্লির পর অসমেও প্লাজমা ব্যাংক চালু হয়ে গেল। সেইসঙ্গে প্লাজমা থেরাপিও। প্রথম প্লাজমাদাতা গুয়াহাটি মেডিক্যাল কলেজের মেডিসিন বিভাগের পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ছাত্র। এদিন অসমে প্রথম প্লাজমা থেরাপির পর ডাক্তারদের অভিনন্দন জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
— প্রসব বা কোনও জরুরি চিকিৎসার জন্য যে সব গর্ভবতী মহিলাদের হাসপাতালে যেতে হয়, তাঁদের ক্ষেত্রে কোভিড-১৯ পরীক্ষা বাধ্যতামূলক কি না সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছু না জানানোয় দিল্লি সরকারকে ভর্ৎসনা করল হাইকোর্ট। আদালতের বক্তব্য, ‘এর ফলেই এখন অত্যন্ত বাস্তবোচিত এই মানবিক সমস্যা প্রশাসনিক দুঃস্বপ্নে পর্যবসিত হয়েছে।’ একই সঙ্গে দিল্লি সরকারকে তাদের নির্দেশ, যদি এসব ক্ষেত্রে পরীক্ষা বাধ্যতামূলক হয়, তবে ন্যূনতম সময়ে নমুনা সংগ্রহ করে করোনা পরীক্ষার ফল জানাতে হবে।
— ভারতের পরিস্থিতি অন্য দেশের তুলনায় কতটা ভালো, তা দেখাতে একের পর এক পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে। যেমন, বিশ্বে তৃতীয় সর্বোচ্চ করোনা সংক্রমিত দেশ হলেও ভারতে প্রতি দশ লাখ জনসংখ্যায় ৫৩৮ জন সংক্রমিত। এই হার বিশ্বে সর্বনিম্ন৷ দুনিয়ায় এই হার ১,৪৫৩। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জনসংখ্যার দেশে মৃত্যুর হারও (প্রতি দশ লাখে ১৫ জন) বিশ্বে সর্বনিম্ন৷ সারা বিশ্বে এই হার ৬৮.৭৷
— দেশে ক্রমেই বাড়ছে আক্রান্তের সুস্থতার হার (৬২.১%)৷ পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অ্যাক্টিভ রোগীর (২,৬৯,৭৮৯) সঙ্গে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরা রোগীর (৪,৭৬,৩৭৭) ব্যবধান৷ করোনা যুদ্ধে এই ধরনের ভালো লক্ষণের মাঝে গলার কাঁটাও আছে৷ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে প্রকাশিত সমীক্ষায় আশঙ্কা, ভারতে করোনা সংক্রমণের যা গতিপ্রকৃতি, তাতে আগামী বছরের গোড়ায় প্রতিদিন গড়ে ২ লক্ষ ৮৭ হাজার করোনা রোগী পাওয়া যেতে পারে৷
