হাইলাইটস
- কেরালায় পরপর দু-দিন রেকর্ড সংক্রমণ
- শুক্রবার গোটাদিন ৪১৬ করোনা কেস ধরা পড়ে
- শনিবার গোটা দিনে করোনা কেস বেড়ে হয় ৪৮৮
- সংক্রমণ হঠাত্ করে বাড়তে থাকায় উদ্বিগ্ন মুখ্যমন্ত্রী়
- রাজ্যে হটস্পট জোন বেড়ে ১৯৫
- এ বার প্রশ্নের মুখে কেরালা মডেল
সেই অর্থে, অন্য রাজ্যগুলির নিরিখে কেরালার অবস্থা এখনও সেই উদ্বেগের জায়গায় কিন্তু পৌঁছয়নি। যেখানে কেরালা বাদে দক্ষিণের চার রাজ্যে সংক্রমণ বৃদ্ধির হার জাতীয় গড়ের চেয়েও বেশি।
ভারতে করোনাভাইরাস সংক্রমণের শুরু থেকে একটা জিনিস স্পষ্ট, দেশের মহানগরগুলিতে প্রাথমিক ভাবে ভাইরাসের প্রকোপ বেশি। কিন্তু, পরিযায়ী শ্রমিকরা বাড়ি ফেরার পর থেকে ছবিটা আমূল বদলাতে থাকে। বড় শহর ও শিল্পাঞ্চলের গণ্ডি অতিক্রিম করে গ্রামীণ ভারতেও সংক্রমণ ছড়াতে থাকে।
গত কয়েক দিনের পরিসংখ্যান কাটাছেঁড়া করে দেখা যাচ্ছে, দক্ষিণের চার রাজ্যে ক্রমে বাড়ছে সংক্রামিতের সংখ্যা। এই চার রাজ্য হল তামিলনাড়ু, কর্নাটক, তেলেঙ্গানা এবং অন্ধ্রপ্রদেশ। এই চার রাজ্যই দেশের সবচেয়ে বেশি করোনা সংক্রামিতের বাস। দেশের প্রথম ১০ রাজ্যের তালিকায় দক্ষিণের চার রাজ্য একেবারে উপরের দিকে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, তামিলনাড়ু, কর্নাটক, তেলেঙ্গানা ও অন্ধ্রপ্রদেশে করোনা পজিটিভ কেস বাড়ছে জাতীয় গড়ের চেয়েও দ্রুতহারে।
মুখ্যমন্ত্রীর উদ্বেগের কারণ শনিবার কেরালায় রেকর্ড ৪৮৮টি করোনা কেস ধরা পড়েছে। পিনারাই বিজয়নের রাজ্যে একদিনে এটাই এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ সংক্রমণ। সবমিলিয়ে রাজ্যে আক্রান্ত বেড়ে হয়েছে ৭ হাজার ৪৩৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় দু’টি-সহ মোট মৃত্যু বেড়ে হয়েছে ২৯।
এই নিয়ে দ্বিতীয় দিন রাজ্যে একদিনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৪০০-র গণ্ডি ছাড়াল। এর আগে শুক্রবারই (১১ জুলাই) ৪১৬ জন আক্রান্ত হন।
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত ২ লক্ষ ৩৩ হাজার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ৬,৪৪৯ নমুনার ফল এখনও জানা যায়নি। শনিবার পর্যন্ত গোটা রাজ্যে হটস্পটের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৯৫। শনিবার আক্রান্তদের মধ্যে কেরালার তিন স্বাস্থ্যকর্মীও রয়েছেন।
পিনারাই জানান, তিরুবনন্তপুরমে, পুলিশ, রাজস্ব এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের সমন্বয়ে একটি কুইক রেসপন্স টিম গঠন করা হয়েছে। তিরুবনন্তপুরমের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত পুঁথুরা মাছ-ধরার বস্তিতে ২৪ ঘণ্টা নজর রাখবে এই টিমটি।
