Bengal BJP MLA Debendra Nath Ray: হেমতাবাদের বিজেপি বিধায়কের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, খুন বলে সন্দেহ দল-পরিবারের – Bengal Bjp Mla Debendra Nath Roy Found Hanging In Market In North Dinajpur, Party Alleges He Was Murdered

হাইলাইটস

  • অস্বাভাবিক মৃত্যু হল মৃত্যু উত্তর দিনাজপুরের হেমতাবাদের বিজেপি বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়ের।
  • সোমবার ভোরে একটি চায়ের দোকান থেকে তাঁর ঝুলন্ত উদ্ধার হয়েছে।
  • পরিবারের দাবি, তাঁকে খুন করা হয়েছে।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: অস্বাভাবিক মৃত্যু হল মৃত্যু উত্তর দিনাজপুরের হেমতাবাদের বিজেপি বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়ের। সোমবার ভোরে একটি চায়ের দোকান থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। পরিবারের দাবি, তাঁকে খুন করা হয়েছে।

রায়গঞ্জ শহরের সুদর্শনপুরের বাসিন্দা দেবেন্দ্রনাথ রায়। বিন্দোলের বালিয়ার তাঁর আদি বাড়ি। রবিবার সন্ধেয় সেখানেই ফিরছিলেন। তবে তারপরই রাতে আচমকা নিখোঁজ হয়ে যান। বিজেপি বিধায়ক বাড়ি না-ফেরায় সারারাত ধরে চলে তল্লাশি। স্থানীয়রা সর্বত্র খোঁজখবর করেও কোনও হদিশ পাননি। খুঁজতে খুঁজতে সোমবার সকালে বিধায়কের বাড়ি থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে রাস্তার ধারে একটি চায়ের দোকানের সামনে চলে যান স্থানীয়রা। সেখানে বন্ধ চায়ের দোকানের সামনে বিধায়কের হাত-পা বাঁধা ঝুলন্ত দেহ মেলে। এরপরই পুলিশে খবর দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশবাহিনী। দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। এটি খুন নাকি আত্মহত্যার ঘটনা তা এখনও স্পষ্ট নয় পুলিশের কাছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সামনে এলে মৃত্যুর সময় ও কারণ জানা যাবে।

যদিও মৃত বিধায়কের স্ত্রী তথা প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান চাঁদিমা রায়ের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে দেবেন্দ্রনাথ রায়কে। মৃত্যুর প্রকৃত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন রায়গঞ্জের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরি। তিনি বলেন, ‘এই মৃত্যু যথেষ্ট সন্দেহজনক। একজন মানুষ হাতবাঁধা অবস্থায় কখনওই আত্মহত্যা করতে পারেন না। পুলিশ সঠিক তদন্ত করে মৃত্যুর কারণ বের করুক।’

এই ঘটনার পেছনে তৃণমূলের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। বিজেপি বিধায়কের মৃত্যুর সিবিআই তদন্ত দাবি করেছেন তিনি। একই দাবি করেছেন কংগ্রেসের সভাপতি সোমেন মিত্রও। তিনি বলেছেন, দেবেন্দ্রনাথ রায় বিজেপি বিধায়ক ছিলেন না। তিনি তৃণমূল ও বিজেপির বিরুদ্ধে দাঁড়ানো বাম-কংগ্রেস জোটের প্রতিনিধি হিসেবে জয়লাভ করেছিলেন। এটা খুনের ঘটনা হলে অত্যন্ত ভয়ংকর।

২০১৬সালে বিধানসভা নির্বাচনে হেমতাবাদ কেন্দ্র থেকে সিপিএমের টিকিটে জিতেছিলেন দেবেন্দ্রনাথ রায়। বিন্দোল গ্রাম পঞ্চায়েতে পরপর তিনবার সিপিএমের প্রধান ছিলেন তিনি। সমবায় সমিতি গড়ে গ্রামের বহু মানুষকে আর্থিক সাহায্য করতেন। তারপর ২০১৯ সালে দিল্লিতে গিয়ে বিজেপিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন দেবেন্দ্রনাথ রায়। দলের একনিষ্ঠ কর্মীর রহস্যমৃ্ত্যুতে রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

HDFC Bank probes improper lending, conflict of interest in car loan unit. What did it find?

Mon Jul 13 , 2020
HDFC Bank is bracing for a leadership change with Puri set to step down after 26 years at the helm. HDFC Bank Ltd. has conducted a probe into allegations of improper lending practices and conflicts of interests in its vehicle-financing operation involving the unit’s former head, according to people familiar […]

You May Like

Breaking News

Recent Posts