coronavirus: কেন্দ্রের কর্মীদের ডিএ বন্ধ হলেও রাজ্যে বেতন ১ তারিখে, বললেন মমতা – mamata banerjee attacks centre from 21 july virtual meeting

এই সময়: করোনা পরিস্থিতি এবং উম্পুন-উত্তর অবস্থা তিনি সামলাচ্ছেন কারও বেতনে হাত না-দিয়ে। আর বিজেপির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার ডিএ বন্ধ করে, সাংসদদের বেতন কেটে, এমনকী এমপি ল্যাডের টাকাও বন্ধ করে বাংলার সমালোচনা করছে- এমনটা বলে মঙ্গলবার ফের তাঁর ক্ষোভ উগরে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কোভিড পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য তাঁর সরকার কতটা তৎপর, তার ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এ দিন তৃণমূলের শহিদ দিবসের ভার্চুয়াল সভা থেকেই মমতা তাঁর নিজের ও বিজেপি নেতৃত্বের মনোবৃত্তির তফাত তুলে ধরতে চেয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, বাংলায় সরকারি কর্মচারীদের বেতন, বিনামূল্যে রেশন, গরিবের সামাজিক সুরক্ষা পেনশন- সবই তিনি চালিয়ে যাচ্ছেন কেন্দ্রের চরম অসহযোগিতা সত্ত্বেও। রাজ্যের উন্নয়নও সমানতালে চলছে বলে এ দিন জানান মুখ্যমন্ত্রী।

মমতা বলেন, ‘কোভিডের নামে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ডিএ সিজ করে দেওয়া হয়েছে। এমপিদের মাইনে কাটছে। এমপি ল্যাডও বন্ধ করে দিয়েছে। অনেক রাজ্যে সরকারি কর্মচারীরা মাইনেই পাচ্ছেন না। আমরা কিন্তু এখনও পর্যন্ত ১ তারিখেই মাইনে দিচ্ছি।’ মুখ্যমন্ত্রী মানছেন, তাঁর রাজ্যে কোভিডের প্রকোপ কিছুটা বেড়েছে। কিন্তু বাংলার জনসংখ্যা ও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এখানকার সঙ্গে দেশের অন্যান্য রাজ্যের পরিস্থিতির কোনও তুলনা চলে না বলে তাঁর দাবি।

মমতার কথায়, ‘কোভিড একটু বেড়েছে। চিন্তার কারণ নেই। টেস্ট, ট্রেসিং, ট্রিটমেন্ট সবই বাড়াতে হবে। ১৮ হাজার বেড অ্যাভেলেবেল আছে। হাসপাতাল, সেফ হোম মিলিয়ে ৩১ অগস্টের মধ্যে এই সংখ্যাটা ২৩ হাজারে নিয়ে যাওয়া হবে। আমরা প্রতিদিন ১৩ হাজার টেস্ট করছি। ১৫ অগস্টের মধ্যে সেটাকে ২৫ হাজারে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি।’ মমতার কথায়, ‘এখন এই রাজ্যে করোনায় মৃত্যুহার ২.৫৬ শতাংশ। এটা আমরা আরও কমিয়ে ফেলব। এখানে মাত্র ৫ শতাংশ কেস সিরিয়াস। তবে যাঁদের অন্য জটিল রোগ আছে, তাঁদের যদি জ্বর হয়, তা হলে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা করাবেন।’

কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বাংলার করোনা পরিস্থিতি ফের ‘উদ্বেগজনক’ বলে দাবি করে চিঠি এসেছে রাজ্য সরকারের কাছে। বিরোধীরাও বাংলার তুলনা টানছে দিল্লি, গুজরাট-সহ অন্য রাজ্যগুলোর সঙ্গে। একুশের ভার্চুয়াল বক্তৃতায় মমতা বলেন, ‘দিল্লি কত বড় রাজ্য? অন্য যে সব রাজ্যের কথা বলা হচ্ছে, সেগুলোর জনসংখ্যা বাংলার জনসংখ্যার চেয়ে অনেক কম। বাংলা অনেক বড় রাজ্য। জনসংখ্যা অনেক বেশি। তাই অন্য রাজ্যের সঙ্গে তুলনা চলে না।’ মুখ্যন্ত্রীর বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গের চারপাশে এতগুলো রাজ্য ও দেশের সীমান্ত আছে, যা আর কোনও রাজ্যের নেই। ফলে, চিকিৎসা-সহ নানা জরুরি প্রয়োজনে এখানে প্রতিদিন বাইরের বহু মানুষকে আসতে হয়। মমতার কথায়, ‘শুধু তো মানুষ আসে না, সঙ্গে রোগটাও আসে।’

খোদ প্রধানমন্ত্রী উম্পুনের অব্যবহিত পর বাংলায় এলেও রাজ্য তার প্রাপ্য ক্ষতিপূরণ এখনও পেল না বলে মমতা আক্ষেপ করেছেন। তাঁর কথায়, ‘উম্পুনের পর প্রধানমন্ত্রী এলেন দয়া করে। আমি প্রধানমন্ত্রীকে ছোট করব না। কিন্তু রাজ্য কি তাঁর প্রাপ্য পেল?’ তা সত্ত্বেও তাঁর সরকার ৬৫০০ কোটি টাকা ত্রাণ ও সাহায্য বাবদ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে বন্টন করেছে বলে এ দিন মমতা জানিয়েছেন।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

Bengal: Rain-drenched Digha braces for Amphan

Wed Jul 22 , 2020
Written by Santanu Chowdhury | Digha | Published: May 20, 2020 8:19:47 am The BDO aims to evacuate 20,000 people from the block, which includes people from the resort towns of Digha, Shankarpur and Tajpur. (Express Photo by Partha Paul) As rain intensified on Tuesday ahead of the impending arrival […]

Breaking News

Recent Posts