আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, এদিন আহত বিদেশি বিশেষজ্ঞরা সিঙ্গাপুর থেকে এসেছেন। সেখানকার Alert Disaster Control নামে এক সংস্থার সঙ্গে জড়িত। তাঁদের ডিব্রুগড় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অগ্নিদগ্ধ তিন বিদেশির নাম অ্যান্থনি স্টিভেন রেনল্ড, ডোগ ডিল্লাস এবং ক্রেইগ নীল ডাকান।
এই বাঘজান তিনসুকিয়ার তৈল কূপটি (Bajghjan Tinsukia oil well) গুয়াহাটির মূল শহর থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরে। ২৭ মে বিস্ফোরণের পর থেকেই বিভিন্ন জায়গা দিয়ে প্রাকৃতিক গ্যাস নির্গমন হচ্ছে। যার জেরে ওই অঞ্চলের জলাভূমি এবং জীববৈচিত্র্যে বিরূপ প্রভাব পড়ছে।
আরও পড়ুন:গুয়াহাটি কেন্দ্রীয় কারাগার বদলে গেল কোভিড হাসপাতালে!
আনলক প্রক্রিয়া শুরু হলে অয়েল ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে সিঙ্গাপুর থেকে বিশেষজ্ঞ আনা হয়েছিল। ক্লিনিং অপারেশন চলার সময়, তার পরেও ৯ জুনে ফের বিস্ফোরণ থেকে আগুন লাগে তিনসুকিয়া জেলার এই তৈলখনিতে।
অয়েল ইন্ডিয়া লিমিটেডের মুখপাত্র ত্রিদীপ হাজারিকা এই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানিয়েছেন, বাঘজন তৈলখনিতে এর আগে যে বড় বিস্ফোরণ ঘটেছিল, সেই আগুন এখনও সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এদিনও সেই আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ চলছিল। সেসময় ফের বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফেরণের পর নতুন করে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে কিছু এলাকায়।
আরও পড়ুন:পদবি ‘চুতিয়া’, কেন্দ্রীয় চাকরির অনলাইন আবেদনে ব্যর্থ যুবতী!
তৈলখনির কাছাকাছি থাকা ডিব্রু সাইখোয়া জাতীয় উদ্যান ও মাহুপি মোটাপুং জলাভূমির দারুণ ক্ষতি হয়েছে। কূপ সংলগ্ন ধান জমি, ফসলের খেত ও জলাভূমিও দূষিত হয়েছে। সংলগ্ন গ্রামগুলিতে একাধিক বাড়ি ভস্মীভূত হয়েছে। ফলে, খনির আশপাশ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যেতে হয়। বিধ্বংসী আগুন নেভাতে গিয়ে ২ দমকলকর্মীও মারা যান।
আরও পড়ুন:অসমে শিশুকন্যাকে ধর্ষণ করে নৃশংস খুন, ধৃত নাবালক
অসম সরকার জানিয়েছিল, পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে ২৫ দিন সময় লাগতে পারে। কিন্তু নির্ধারিত দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরেও আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি।
রাজ্যে বন্যার জেরে লক্ষ লক্ষ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। বহু মানুষ ঘরছাড়া। বন্যায় মৃতের সংখ্যা ১০০ ছুঁইছুঁই। এর মধ্যে কোভিডের দাপটও আছে। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে তৈলখনিতে বারবার বিস্ফোরণে সরকারেরও উদ্বেগ বাড়ছে।
