muslim boy living with sikh family: ৯ বছর ধরে শিখ পরিবারে বড় হল আবদুল, কান্নাভেজা চোখে ফের বাড়ির পথে যাত্রা – muslim boy living with sikh family meets parents 9 years after separation in punjab

হাইলাইটস

  • ৯ বছর আগে, যখন আবদুলের বয়স ছিল মাত্র ১০ বছর, তখন বাড়ির পথ ভুলে হারিয়ে গিয়েছিল সে।
  • আবদুলের বাবা তাহির আলি বলেন, ২০১১ সালের মে মাসে তিনি আবদুলকে নিয়ে গাজিয়াবাদে নিজের ভাইয়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন কয়েকদিনের জন্যে।
  • দশ বছরের আবদুল সে সময় উঠে পড়েছিল একটি ভুল বাসে।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: সম্পর্কের কত যে রং হয়, সে সব কি আর ধর্ম-বর্ণে ধরা দেয়? ভালোবাসা-সম্পর্ক এ সবই তো অসীম। এই যেমন আবদুল। ৯ বছর আগে, যখন আবদুলের বয়স ছিল মাত্র ১০ বছর, তখন বাড়ির পথ ভুলে হারিয়ে গিয়েছিল সে। সেই থেকেই তাঁর ঠিকানা ছিল পাটিয়ালার ভাইরোনপুর গ্রামে গুরনাম সিংয়ের বাড়ি। শেষমেশ বুধবার আবার নিজের পরিবারকে ফিরে পেল সে।

উত্তরপ্রদেশের ফারুখাবাদের বাসিন্দা, আবদুলের বাবা তাহির আলি বলেন, ২০১১ সালের মে মাসে তিনি আবদুলকে নিয়ে গাজিয়াবাদে নিজের ভাইয়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন কয়েকদিনের জন্যে। সেই সময়ই নিখোঁজ হয়ে যায় আবদুল। তাহির আলির কথায়, ‘আমরা যখন বুঝতে পারলাম আবদুল হারিয়ে গিয়েছে, পুলিশে অভিযোগ জানিয়েছিলাম। কিন্তু খোঁজ পাওয়া যায়নি আবদুলের।’

দশ বছরের আবদুল সে সময় উঠে পড়েছিল একটি ভুল বাসে। এরপর এক ট্রাক ড্রাইভার আবদুলকে নামিয়ে দেয় ফতেগড় সাহিবে। সেখানেই এক গ্রামের রাস্তায় আবদুলকে দেখতে পান গুরনাম সিং। তিনিই তাঁকে রৌজা শরিফ কর্তৃপক্ষের কাছে নিয়ে যান, যাতে আবদুলের পরিবারকে খুঁজে পাওয়া যায়।

গুরনাম সিংয়ের কথায়, ‘একজন দোকানি আবদুলকে এদিক-সেদিক ঘুরে বেড়াতে দেখেছিল। এরপর তাঁকে স্থানীয় মসজিদে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সে শুধু নিজের আর বাবার নামটুকু বাদ দিয়ে কিছুই জানাতে পারেনি। আমরা তাঁকে খাবার দিয়েছিলাম। আমার বাড়িতে বেশ কয়েক সপ্তাহ থাকার পর জেলা প্রশাসনের সাহায্যে আমরা আবদুলকে সর্বশিক্ষা অভিযানের অধীন একটি স্কুলে ভরতি করে দিই। কিন্তু কয়েক মাসের মধ্যেই সেই স্কুলটি বন্ধ হয়ে যায়। এরপর পাটিয়ালার একটি স্কুলে ভরতি করা হয় তাঁকে। সেখানে থাকার ব্যবস্থাও ছিল।’

আরও পড়ুন: একটা হোয়াটসঅ্যাপ, চল্লিশ বছর পর নিজের পরিবারকে খুঁজে পেলেন ৯৩-এর বৃদ্ধা!

গুরুনাম সিং আরও বলেন, ‘আমরা ওকে কখনই মুসলিম হিসেবে দেখিনি। অনেকেই বাধা দিয়েছিল, অনেকেই তাকে বলেছিল শিখ ধর্মে রূপান্তরিত করতে, কিন্তু আমরা তা করিনি। আমি ওকে মসজিদেও নিয়ে যেতাম, ও নামাজ পড়ত। আমাদের বাড়ির সদস্য ছিল ও। স্কুল ছুটির সময় আমাদের বাড়িতেই ও থাকত। আমাদের সন্তানের মতোই ওকে দেখেছি।’

ei samay

গুরনাম সিং বর্তমানে থাকেন স্ত্রীকে নিয়ে। ছেলে থাকে বিদেশে। মেয়ের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, আবদুল নিজের পরিবার ফিরে পেয়েছে, তাতেই তাঁরা খুশি।

কিন্তু কীভাবে আবার নিজের পরিবারকে খুঁজে পেল আবদুল? লকডাউনের সময় ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্লাস চলছিল আবদুলের। সেই সময়ই ফেসবুকে তাঁর ছোটবেলার এক বন্ধুকে খুঁজে পান আবদুল। সেই বন্ধুই আবদুলের পরিবারের খোঁজ দেন।

ছেলেকে ফিরে পেয়ে তাহির বলছেন, ‘গুরনাম জি’র পরিবার যা করেছেন, তার জন্যে কোনও শব্দই যথেষ্ট নয়। আবদুলের স্কুল কর্তৃপক্ষকেও অসংখ্য ধন্যবাদ। মানবিকতার সেরা নিদর্শন তাঁরাই।’

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

FAA warns of possible engine shutdowns in safety directive on older Boeing 737 jets | अमेरिका ने 2000 बोइंग विमानों के जांच के आदेश दिए, पुराने विमानों के इंजन फेल होने की चेतावनी

Fri Jul 24 , 2020
वॉशिंगटन33 मिनट पहले कॉपी लिंक महामारी के दौरान ग्राउंडेड उन विमानों की जांच की जाएगी, जिन्होंने सात या ज्यादा दिनों तक उड़ान नहीं भरी है। (फाइल फोटो) कोरोनावायरस के दौरान जिन विमानों ने उड़ान नहीं भरा, उनके इंजन खराब होने की आशंका बोइंग ने पुराने 737 विमानों के ऑपरेटर्स को […]

You May Like

Breaking News

Recent Posts