রিসার্চে বলা হচ্ছে, “ডাক্তার এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে অসঙ্গত ছবি অর্থাৎ অন্তর্বাস, হ্যালোইন কস্টিউমস, বিকিনি বা সুইম স্যুট পরে ছবি তোলার হিড়িক দিনে দিনে বাড়ছে।” তার সঙ্গেই সেই রিসার্চে আরও বলা হচ্ছে, “এমনকী বেশ কিছু ডাক্তার এবং মেডিক্যাল জগতের কর্মীরা মদ্যপান, অসংযত ব্যবহার, অশ্লীলতা, বিতর্কিত রাজনৈতিক বা ধর্মীয় এবং বিতর্কিত সামাজিক বিষয় নিয়েও কথাবার্তা সোশ্যাল মিডিয়ায় একটু বেশি পরিমাণেই করছেন। আর সেটা সম্পূর্ণভাবেই একটা অপেশাদারিত্ব।”
এখন প্রশ্ন হচ্ছে কেন বিকিনি পরেই এমনতর প্রতিবাদ? আসল বিষয়টা হল, সোশ্যাল মিডিয়ায় যে কোনও মাধ্যমের মানুষ বিকিনি পরে ছবি তুললে কারও আপত্তি নেই। কিন্তু বিকিনি পরে ডাক্তারেরা ছবি তুললেই বিস্তর ট্রোলিং। শুধু বিকিনি পরে ছবি তোলাই নয়, কোনও রাজনৈতিক বিষয় বা অশ্লীল কোনও বিতর্কিত বিষয়ে ডাক্তার বা নার্সদের পোস্টকে ঘিরেই হইহই রব। যদিও ডাক্তার থেকে শুরু করে নার্সদের একটা বড় অংশ বলছেন, “বেশ কিছু স্বাস্থ্যকর্মী-নার্স-ডাক্তারেরা রয়েছেন, যাঁরা কী ভাবে, কোন সময়ে কী পোস্ট করতে হয় জানেনই না। এই ধরনের অপেশাদার সোশ্যাল মিডিয়া কন্টেন্টের জন্যই ডাক্তারদের বিকিনি পরা ছবি নিয়ে হাসি খোরাক চলে সোশ্যাল মিডিয়ায়।”
ওই জার্নালে বলা হয়েছে, নেটিজেনদের একটা বিরাট অংশ ডাক্তারদের আসলে এক্কেবারে ঈশ্বরের জায়গায় বসিয়ে দেন। আর সেখান থেকেই ডাক্তারদের নিয়ে কোনও অসঙ্গত পোস্ট দেখলেই তেড়ে আসেন নেটপাড়ার লোকজন। তবে এই #MedBikini ট্রেন্ড করার আখেরে অর্থটা একটু আলাদা। এই ট্রেন্ড আসলে সহকর্মী থেকে শুরু করে রোগী, বর্তমান এবং ভবিষ্যতের কর্মচারীরা যাতে ফেসবুক, ট্যুইটার ইত্যাদি সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে যেন দেখতে পান যে, তাঁদের অন্য ডাক্তার বন্ধুরাও এমনতর পোশাক পরে ছবি তুলতে দ্বিধা বোধ করতেন না। তবে সেই পোস্টগুলির মাধ্যমে প্রাইভেসি সেটিংসের বিষয়টিও জোরদার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: আপনার গলাটা একটু ফোলা কেন? উদ্বিগ্ন দর্শকের মেসেজে রিপোর্টার জানলেন তাঁর ক্যানসাব়!
ওই জার্নালে আরও বলা হয়েছে যে, “অপেশাদারী সোশ্যাল মিডিয়া কন্টেন্ট আসলে সেই মানুষটার আসল রূপটাই যে তুলে ধরে এমনটা নয়, তার সঙ্গেই তাঁরা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের স্বাস্থ্যকর্মীদের মাথাও হেঁট করে দেন!”
