হাইলাইটস
- মঙ্গলবার পটনার রাজীব নগর থানায় তিনি রিয়ার বিরুদ্ধে সুশান্তকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ আনেন।
- কেকে সিং জানান, ‘রিয়া সুশান্তের কাছ থেকে প্রচুর পরিমাণ টাকা নিয়েছিল
- এবং সেখান থেকেই জোর করে সুশান্তকে আত্মহত্যার মুখে ঠেলে দেয়’
সুশান্তের মৃত্যুর পর যখন মুম্বই পুলিশের তরফে সুশান্তের বাবাকে জিগ্গেস করা হয়েছিল কারোর বিরুদ্ধে তাঁর অভিযোগ আছে কিনা, তখন তিনি বলেছিলেন কারোর বিরুদ্ধেই তাঁর কোনও অভিযোগ নেই। এরপর নিজেদের মতো তালিকা তৈরি করে বয়ান রেকর্ড শুরু করে মুম্বই পুলিশ। মুকেশ ছাবড়ার পরই বান্দ্রা থানায় ডেকে পাঠানো হয় রিয়াকে।
টানা সাত ঘন্টা তাঁকে জেরা করে পুলিশ কর্তারা। সেখানেই তিনি প্রথম জানান, সুশান্তের সঙ্গে তাঁর ঝামেলা হয়েছিল। এমনকী সুশান্ত তাঁকে পরামর্শ দিয়েছিলেন যশরাজ ফিল্মসের সঙ্গে সব চুক্তি শেষ করতে সেকথাও তিনি জানান পুলিশকে। সুশান্ত নিজেও যশরাজের সঙ্গে সমস্ত চুক্তি থেকে বেরিয়ে এসেছিলেন।
কিছুদিন আগেই রিয়া ব্যবসা সংক্রান্ত বেশ কিছু তথ্য গোপন করেছেন এবং সুশান্তের কার্ড ব্যবহার করে বেশ কিছু টাকা তুলেছেন বলে জানায় মুম্বই পুলিশ। এমনকী গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিলেরও হদিশ মেলেনি। এরপরই তদন্তকারীরা রিয়াকে দ্বিতীয়বার জেরার জন্য তলব করবে বলে জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুন
অর্থম অনর্থম? রিয়া মাসে কত টাকা কী ভাবে খরচ করেন, এবার পুলিশের নজর সেদিকে!
সুশান্তের মৃত্যুর পর তাঁর অনুরাগীরা পটনা আদালতে মহেশ ভাট, সলমান খান, করণ জোহার, একতা কাপুরের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে। এর কিছুদিন পর মামলা দায়ের হয় রিয়া চক্রবর্তীর বিরুদ্ধেও। পরবর্তীতে সলমানদের বিরুদ্ধে মামলা তুলে নেওয়া হলেও রিয়া চক্রবর্তীর মামলার বিষয়টি কি হয়েছিল তা জানা যায়নি। আপাতত মুম্বই পুলিশের তদন্তের উপরই ভরসা রাখছে সুশান্তের পরিবার। অপেক্ষা করছে পুলিশের রিপোর্টের জন্য। সেই রিপোর্ট যদি সন্তোষজনক না হয় তবেই তাঁরা সিবিআই হস্তক্ষেপের কথা ভাববেন।
এই সময় ডিজিটালের বিনোদন সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।
