হাইলাইটস
- সিআইএসএফ জওয়ানদের জন্য় নয়া সোশ্যাল মিডিয়া গাইডলাইন প্রকাশ করা হয়েছে।
- এই গাইডলাইনে সরকার বিরোধিতা কড়া হাতে দমনের কথা বলা হয়েছে।
- সেইসঙ্গে জওয়ানদের সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের ডিটেলস জমা দিতে হবে।
সিআরপিএফে মোট ১ লক্ষ ৬২ হাজারের মতো জওয়ান ও অফিসার আছেন। তাঁদের জন্য নয়া সোশ্যাল মিডিয়া গাইডলাইন জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। সোশ্যাল মিডিয়ায় জওয়ানরা কী করতে পারবেন এবং কী করতে পারবেন না, শুক্রবার প্রকাশিত দু’পৃষ্ঠার ওই গাইডলাইনে সেই বিষয়ে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে। এই বিধি ভাঙলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে ‘কড়া আইনানুগ এবং শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে বলে ওই নির্দেশিকায় স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলিতে ‘জাতীয় নিরাপত্তা এবং বাহিনীর সাধারণ শৃঙ্খলার পক্ষে বিপজ্জনক পোস্ট রুখতে’ জওয়ান, আধিকারিক-সহ সমস্ত স্তরের কর্মীদের জন্য এই দু’পৃষ্ঠার গাইডলাইন বলে নয়া দিল্লির CISF হেডকোয়ার্টারের তরফে জানানো হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ সরকারি মন্ত্রক এবং ভবন ছাড়াও বর্তমানে দেশের ৬৩টি বিমানবন্দরের নিরাপত্তার ভার CISF-এর হাতে। এ ছাড়াও জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল নানা স্থান ও সম্পত্তির নিরাপত্তার দায়িত্বেও তারা।
জওয়ানদের জন্য CRPF-এর তরফে যে গাইডলাইন প্রকাশ করা হয়েছে সেখানে বলা হয়েছে, ‘সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে জওয়ানরা অনেক সময় দেশ বা বাহিনীর জন্য সংবেদনশীল তথ্য শেয়ার করছেন এবং সরকারি নীতির সমালোচনা করছেন।’
আরও পড়ুন: দেশে ফেরা হল না ‘টাইগারের’, সিঙ্গাপুরে প্রয়াত সাংসদ অমর সিং
২০১৬ সালে CISF জওয়ানদের জন্য প্রথম সোশ্যাল মিডিয়া গাইডলাইন প্রকাশ করা হয়েছিল। ২০১৯ সালে তা পরিমার্জন করা হয়। নতুন গাইডলাইনে পাঁচ দফা নিয়ম মেনে চলার কথা বলা হয়েছে CISF কর্মীদের। যেখানে বলা হয়েছে, ‘কর্মীদের তাদের সংশ্লিষ্ট ইউনিটের মাধ্যমে ট্যুইটার, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব-সহ সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের ডিটেলস জমা দিতে হবে। কোনও ক্ষেত্রে আইডি পরিবর্তন করা হলে বা নতুন সোশ্যাল মিডিয়া আইডি খোলা হলে সেই তথ্যও সঙ্গে সঙ্গে কর্তৃপক্ষের নজরে আনতে হবে।’ এ ছাড়া বেনামে বাহিনীর কোনও সদস্য সোশ্য়াল মিডিয়া ব্যবহার করতে পারবেন না বলেও সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ওই গাইডলাইনে। সেইসঙ্গে ‘সরকারের কোনও নীতির বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনও মন্তব্য করা যাবে না।’
কোনও বিষয় নিয়ে কর্মীদের ক্ষোভ থাকলে তা বাহিনীর পদ্ধতি মেনে জানানোর উপরে জোর দেওয়া হয়েছে। ‘কমান্ড এবং বিধিবদ্ধ পদ্ধতিকে পাশ কাটিয়ে কোনও বিষয়ে অভিযোগ জানানোর মাধ্যম সোশ্যাল মিডিয়া নয়’ বলেও ওই নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।
