হাইলাইটস
- আগামী ৫ অগস্ট কাশ্মীরে পাক মদতপুষ্ট হিংসাত্মক আন্দোলনের গোপন পরিকল্পনার কথা জানতে পেরেছে জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন।
- যার জেরে বুধবার পর্যন্ত শ্রীনগরে কারফিউ জারি করেছে প্রশাসন।
- সেইসঙ্গে কোভিড সংক্রান্ত বিধিনিষেধ ৮ অগস্ট পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।
বহু দিনের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুসারে দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় আসার পরে ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা এবং ৩৫(এ) ধারা বাতিল করে নরেন্দ্র মোদী সরকার। এই দুই ধারা অনুসারে প্রায় সাত দশক জম্মু ও কাশ্মীর বিশেষ ক্ষমতা ভোগ করে আসছিল। গত বছরের ৫ তারিখ জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ ক্ষমতা বাতিল করা হয়।
গোয়েন্দা সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুসারে, আগামী ৫ অগস্ট ৩৭০ ধারা বাতিলের বর্ষপূর্তিতে কাশ্মীরজুড়ে ‘কালা দিবস’ পালনের পরিকল্পনা করেছে বিচ্ছিন্নতাবাদী এবং পাক মদতপুষ্ঠ বিভিন্ন গোষ্ঠী। বিশেষত শ্রীনগরে হিংসাত্মক কার্যকলাপের মাধ্যমে অশান্তি ছড়ানোর মতলব করেছে তারা। এই খবর পাওয়ার পরেই স্বভাবতই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে প্রশাসনের অন্দরে। যার পরিপ্রেক্ষিতে কারফিউ জারি করেন শ্রীনগরের জেলাশাসক শাহিদ চৌধুরী। সরকারি ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ‘৫ অগস্ট শহরে হিংসাত্মক বিক্ষোভের সুনির্দিষ্ট খবর পাওয়া গিয়েছে। যার ফলে সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পত্তিহানীর আশঙ্কা আছে। এই রিপোর্টের পরিপ্রেক্ষিতে সম্ভাব্য হিংসা আটকানো এবং জীবন ও সম্পত্তি রক্ষার জন্য অবিলম্বে জেলায় কারফিউ জারি করা হচ্ছে।’ নির্দেশিকা অনুসারে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া জেলাজুড়ে সাধারণ মানুষের চলাচলের উপরে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: কাশ্মীরে নিখোঁজ সেনা জওয়ান, অপহরণের আশঙ্কা
এ দিকে, সোমবারও উপত্যকা জুড়ে নানা বিধিনিষেধ জারি ছিল। সমস্ত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, দোকানপাট, বাজার ছিল বন্ধ। পথে নামেনি যানবাহন। জনগণের চলাচল চূড়ান্তভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। রাস্তায় রাস্তায় বিশাল সংখ্যক জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছিল। উপযুক্ত জরুরি কারণ ছাড়া লোক জনকে রাস্তায় বের হতে দিচ্ছিলেন না তাঁরা। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতেই এই পদক্ষেপ বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে।
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।
