ঘটনার পর কয়েক ঘণ্টা কেটে গেলেও পুলিশ অভিযুক্ত কংগ্রেস নেতাকে গ্রেফতার না করায়, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। পুলিশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, বুধবার মালদা জেলাজুড়ে ব্লকে ব্লকে ছিল কংগ্রেসের ডেপুটেশন কর্মসূচি। রতুয়া-১ ব্লকের বিডিও অফিসের সামনে সেই কর্মসূচি পালনে হাজির হয়েছিলেন কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকেরা। অনুগামীদের সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন কংগ্রেসের প্রাক্তন বিধায়ক মোস্তাক আলম।
অভিযোগ, ডেপুটেশন দিতে এসে কংগ্রেসকর্মীরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন। সেই সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন রতুয়া বাহারালের এক তৃণমূল কংগ্রেসকর্মী শেখ আলিম। তিনি ঘটনার প্রতিবাদ করেন। কেন অকারণে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যাক অশ্রাব্য গালিগালাজ করা হচ্ছে, এই নিয়ে তিনি প্রশ্ন করলে, বচসা বেধে যায়।
আক্রান্ত তৃণমূল কংগ্রেসকর্মীর অভিযোগ, এর পর মোস্তাক আলাম তাঁর দিকে তেড়ে আসেন। রড দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করা হয়। রডের আঘাতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন শেখ আলিম। সেই অবস্থায় মোস্তাক আলমের অনুগামীরা তাঁর উপর চড়াও হয়। ব্যাপক মারধর করা হয়।
আরও পড়ুন: নিতিন গডকরির করোনা, গেলেন আইসোলেশনে
ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে তড়িঘড়ি রতুয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাযন। ঘটনার বিবরণ জানিয়ে তিনি রতুয়া থানায় মোস্তাক আলামের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পরে তাঁর অবস্থার অবনতি হওয়ায়, মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: পরিযায়ীদের জন্যে ট্রেন চালিয়ে ক্ষতি হয়েছে রেলের, লোকসভায় দাবি মন্ত্রীর
জেলা কংগ্রেস সভাপতি মোস্তাক আলাম অবশ্য সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন। তাঁর দাবি, রতুয়া ব্লকের ডেপুটেশনে তিনি আদৌ হাজির ছিলেন না। সেখানে তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও কর্মীকে মারধর করা হয়নি। এই ধরনের কোনও ঘটনার কথা তাঁর জানা নেই। উলটে তৃণমূলের লোকজন তাঁদের এক কংগ্রেস কর্মী আজিজ আলিকে মারধর করেছেন। আজিজ মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন শাসক দলের লোকেরা তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন বলে পালটা অভিযোগ করেন মালদা জেলা কংগ্রেসের সভাপতি।
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।
