আরও পড়ুন: উহানে করোনা থেকে সেরে ওঠা ৯০% রোগীর ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত, অক্সিজেন মেশিনই এখন ভরসা
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশ অনুযায়ী, মৃত্যুর পরিষ্কার বিকল্প কোনও কারণ না-থাকলে, কোভিডে মৃত্যুকে ‘কোভিডে মৃত্যু’ হিসেবেই উল্লেখ করতে হবে। হু’র এক বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এস এস লালের কথায়, কোভিড অসুস্থতা নিয়ে কেউ মারা গেলে, সেটা কোভিডে মৃত্যু হিসেবে উল্লেখ করাই বাঞ্ছনীয়। কোভিড থেকে সেরে ওঠার পর মৃত্যু হলে, সেক্ষেত্রে কোভিড মৃত্যু বলা যাবে না। বা কোভিড আক্রান্ত অবস্থায় কেউ আত্মহত্যা করলে বা দুর্ঘটনায় মারা গেলে, সেই মৃত্যুর কারণ হিসেবেও কোভিডের উল্লেখ করা যায় না। এদিকে, ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ (ICMR)-ও ডাক্তারদের পরামর্শ দিয়েছেন, কোভিডে আক্রান্ত কেউ মারা গেলে, সে ক্ষেত্রে আলাদা করে মৃত্যুর কারণ হিসেবে কো-মর্বিডিটিকে সামনে আনার প্রয়োজন নেই। ইন্টারন্যাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার অরুণ এনএমের কথায়, শুধু কেরালা নয়, অনেক রাজ্যই কো-মর্বিডিটির অছিলায় কোভিডে প্রকৃত মৃতের সংখ্যা চেপে যাচ্ছে।
আরও পড়ুন: দেশে একদিনে করোনা সংক্রমণ ছাড়াল ৬২ হাজার, আক্রান্ত পেরোল ২০ লাখ
জানা গিয়েছে, এই ৩০ মৃত্যুর মধ্যে ৮টিই হয়েছে তিরুবনন্তপুরমে। এর্নাকুলমে হয়েছে চারটি মৃত্যু। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে জুলাইয়ে তিরুবনন্তপুরমের উপকূল অঞ্চলে এমন আরও ১৩টি মৃত্যু কোভিড হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়নি।
ডাক্তার অরুণ লালের কথায়, আমরা আইসিএমআরের নির্দেশিকা মেনে চলছি না। কমপক্ষে রাজ্যে ১৫০ মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু, কেরালা সরকার ৯৭ দেখাচ্ছে। আমার ধারণা, আইসিএমআর এই মৃত্যুর বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে রাজ্যকে সতর্ক করবে।
কেরালার স্বাস্থ্য দফতর এখন মৃতের নমুনা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে এখন আলাপ্পুঝার এনআইভির কাছে পাঠাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটা অপ্রয়োজনীয়। একবার নমুনা পজিটিভ এলে, মৃত্যুর পর দ্বিতীয় বার টেস্ট করতে পাঠানোর প্রয়োজন নেই।
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।
