ঘটনাস্থলে গিয়েছে দমকল। জানা গিয়েছে, রবিবার সকালে হঠাৎই ধোঁয়ায় ভরে যায় সেন্টারটি। ফলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সেখানে ভরতি থাকা রোগীরা ৷ ধোঁয়ার কারণে শ্বাসকষ্ট শুরু হয় অনেকের৷ প্রাণ বাঁচাতে অনেকেই জানলা গলে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেন৷ তবে, কীভাবে আগুন লেগেছে তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। পুলিশ সূত্রে খবর, সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। উদ্ধার করে হয়েছে ৩০ জন রোগীকে। কালো ধোঁয়ায় চারিদিক ছেয়ে গিয়েছে। আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন সেখানকার রোগীরা। দমকলের তৎপরতায় ৩০ মিনিটের মধ্যে সেই আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্তে নেমেছে দমকলকর্মীরা।
আরও পড়ুন: মুম্বইয়ের কোয়ারানটিন কেন্দ্রে বিধ্বংসী আগুন
এর আগে বাণিজ্যনগরী মুম্বইয়ের একটি কোভিড-১৯ কোয়ারানটিন কেন্দ্রে আগুন লাগে। সেখানকার একটি হোটেলকে কোয়ারানটিন কেন্দ্রের রূপ দেওয়া হয়েছিল। সন্ধ্যায় হঠাত্ই আগুন ধরে যায়। পুলিশ ও দমকল সূত্রে খবর, মুম্বইয়ের নাগপাড়া রিপন হোটেলে আগুন লাগে। বাণিজ্যনগরীতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের পর তিনতলা ওই হোটেলটিকে কোয়ারানটিন কেন্দ্রের রূপ দেওয়া হয়। অগ্নিপ্রতিরোধ দফতরের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। ঘটনাস্থলে দমকলের পাঁচটি ইঞ্জিন ছাড়াও চারটি জাম্বো ট্যাংকার রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার গুজরাতের এক কোয়ারানটিন সেন্টারে শটসার্কিটের জেরে আগুন লাগে। সেখানে আট জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।
