—কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের হিসেব অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে সংক্রামিত হয়েছেন ৬৭ হাজার! মৃত্যু হয়েছে ৯৪২ জনের। মহারাষ্ট্র, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং তামিলনাড়ু – এই তিনটি রাজ্যে মোট দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যাই তিরিশ হাজারের কাছাকাছি!
—আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও করোনায় মৃত্যুর হার লাগাতার নিম্নমুখী। বৃহস্পতিবার তা আরও কমে ১.৯৬ শতাংশে পৌঁছে গিয়েছে। বর্তমানে দেশে চিকিৎসাধীন করোনা রোগীর সংখ্যা সাড়ে ৬ লক্ষের কাছাকাছি। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৭ লক্ষ! অর্থাৎ, সংখ্যাটা ‘অ্যাক্টিভ’ রোগীর প্রায় তিনগুণ বেশি।
—
গত ২৪ ঘণ্টায় ৩০,০৩২ টেস্ট করে ২৯৯৭ জন আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে রাজ্যে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ৫৬ জন করোনা আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে শুধু কলকাতাতেই মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের। কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়ার মতো জেলায় গত কয়েক দিনের মতোই ফের কমেছে অ্যাক্টিভ করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।
—স্বাস্থ্যকর্তারা আশা করছেন, সম্ভবত এই জেলাগুলিতে স্থিতাবস্থায় আসছে আক্রান্তের সংখ্যা। তবে আরও কিছুদিন গেলে তবে এ নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।
—ইতিমধ্যেই কলকাতা এবং অন্যান্য জেলায় বেশি করে করোনা আক্রান্তের সন্ধান পেতে অ্যান্টিজেন টেস্টের সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবারের বুলেটিন বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় যে ত্রিশ হাজার টেস্ট করা হয়েছে রাজ্যে তার মধ্যে ১২ হাজারেরও বেশি অ্যান্টিজেন টেস্ট। স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর, আগামী দিনে অ্যান্টিজেন টেস্টের সংখ্যা আরও বাড়তে চলেছে।
—দেশেও পরীক্ষার সংখ্যা বেড়ে দৈনিক ৮ লক্ষ ছাপিয়ে গিয়েছে। তাই কেন্দ্রীয় সরকার মনে করছে, দেশে করোনার প্রকোপ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে। যদিও এদিন দেশের করোনার গ্রাফ পোস্ট করে রাহুল গান্ধী টুইটারে লেখেন, ‘এই যদি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকার নমুনা হয়, তা হলে বিগড়ে গেলে কেমন হবে!’
—এরই মধ্যে সাধারণ মানুষকে খানিক স্বস্তি দিয়ে ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা জাইডাস জানিয়েছে, তাদের তৈরি রেমডিসিভিরের দাম ভায়াল প্রতি ২৮০০ টাকা, যা বাজারে বিক্রি হওয়া অন্য রেমডিসিভিরের থেকে কম। তাদের তৈরি রেমডিসিভির নাম ‘রেমড্যাক’।
