চলতি মাসে এ-পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি এতটাই কম হয়েছে যে, ১ জুন থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত হিসেবে গাঙ্গেয় বঙ্গে ৯% বর্ষার ঘাটতি পড়ে গিয়েছে। আর সেখানে উত্তরবঙ্গে স্বাভাবিকের থেকে ৪৩ শতাংশ অতিরিক্ত বৃষ্টি হয়েছে।
আবহবিদদের মতে, মৌসুমি অক্ষরেখা কখনওই এক জায়গায় থেমে থাকে না হয় না। যে-এলাকার উপরে অক্ষরেখা সক্রিয় থাকে, সেখানেই বর্ষণের দাপট বাড়ে। মৌসুমি অক্ষরেখা তরাইয়ের উপর দিয়ে ত্রিপুরা পর্যন্ত বিস্তৃত। সে জোলো হাওয়া উত্তরে টেনে নিচ্ছে। দক্ষিণবঙ্গে বজ্রগর্ভ মেঘ হলেও টানা বর্ষার বৃষ্টি হচ্ছে না। এ ছাড়াও মধ্যপ্রদেশের উপরে একটি ঘূর্ণাবর্তও অবস্থান করছে। মধ্যপ্রদেশ এবং সংলগ্ন এলাকাতেও বৃষ্টি চলছে। মৌসুমী অক্ষরেখার কারণে মেঘালয়, অসম, ত্রিপুরা, দিল্লিতেও বৃষ্টি চলছে। কলকাতায় স্বাভাবিক হারে বৃষ্টি হতে পারে। তবে আপেক্ষিক আর্দ্রতার কারণে থাকবে অস্বস্তি।
অন্যদিকে, আষাঢ় পেরিয়ে শ্রাবণ এসেছে। কিন্তু সেভাবে বাঙালির পাতে ইলিশ আসছে না এখনও। যদিও আশা করা হয়েছিল, লকডাউনের কারণে দূষণ কম হওয়ায় এই মরশুমে ইলিশের জোগান ভালো হবে। সে গুড়ে বালি দিয়েছে প্রকৃতি! অন্তত তেমনটাই দাবি করছেন মৎস্যজীবীরা। আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনায় গত কয়েকদিনে ইলিশ তেমন ওঠেইনি। মৎস্যজীবীদের আক্ষেপ, সমুদ্রে প্রচুর ইলিশ রয়েছে। কিন্তু আবহাওয়া প্রতিকূল হওয়ায় খালি হাতেই ফিরতে হচ্ছে তাঁদের।