এদিন একটি ভিডিয়োতে কেরালার স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘বিশেষজ্ঞদের মতে, অগস্ট এবং সেপ্টেম্বর মাসে কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে পারে। তখন আমাদের রাজ্যে প্রতিদিন ১০,০০০ থেকে ২০,০০০ ব্যক্তি নতুন করে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’ করোনার সংক্রমণ রুখতে রাজ্যের যুব সমাজকে ‘কেভিড ব্রিগেডে’ যোগ দেওয়ার আবেদনও করেছেন কেরালার শৈলজা।
আর আক্রান্তের সংখ্যা যখন বাড়তে শুরু করবে তখন যে মৃত্যুর হারও বৃদ্ধি পাবে, তা স্বীকার করে নিয়েছে কেরালা সরকার। সেখানকার স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের এটা মাথায় রাখতে হবে, আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে মৃত্যুর ঘটনা বাড়বে। যে কারণে আমি সবাইকে সহযোগিতা করার আবেদন করছি। সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙতে স্বাস্থ্য বিধি মেনে আপনারা মাস্ক পরুন, হাত স্যানিটাইজ করুন এবং সামাজিক দূরত্ব মেনে চলুন।’
দেশের মধ্যে প্রথম কেরালায় করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। চিনের হুয়ান থেকে ফেরত এক মেডিক্যাল ছাত্রীর শরীরে ৩০ অগস্ট অগস্ট সংক্রমণ ধরা পড়ে। দেশে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় করোনা আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া যায় কেরালায়। তাঁরাও হুয়ান থেকে ফিরেছিলেন। যদিও সংক্রমণ রুখতে যথেষ্ট সফল হয়েছিল এই রাজ্য। ২৭ মে পর্যন্ত কেরালায় মাত্র ১,০০০ জন আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল; যা সারা দেশের তুলনায় অনেকটাই কম।
তবে ৪ জুলাই থেকে সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা হু হু করে বাড়তে থাকে। দেশের মধ্যে প্রথম কেরালায় গোষ্ঠী সংক্রমণের কথা সরকারিভাবে স্বীকার করে নেওয়া হয়। ২৬ জুলাই দক্ষিণের এই রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ১০,০০০ এবং ২৮ জুলাই ২০ হাজারের গণ্ডি ছাড়িয়ে যায়।
আরও পড়ুন: বাংলায় ৩১ হাজার টেস্টের রেকর্ড, আক্রান্তও এই প্রথম ৩০০০+
শুক্রবার পর্যন্ত রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪৩ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৫৬৯ জন। এখনও পর্যন্ত প্রায় ১৫০ জন করোনার বলি হয়েছে এই রাজ্যে।
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।
