হাইলাইটস
- দেশে একদিনে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা আরও কিছুটা কমল।
- আরও প্রায় ৫৫ হাজার সংক্রমণে দেশজুড়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াল ২৭ লাখের অংক।
- মঙ্গলবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে এ কথা জানানো হয়েছে।
গত কয়েকদিন ধরে দেশে লাফিয়ে লাফিয়ে সংক্রমণ বেড়েই চলে করোনাভাইরাসের (Coronavirus in India)। গত বৃহস্পতিবার একদিনে সংক্রমিতের সংখ্যা প্রায় ৬৭ হাজারের কাছে চলে যায়। এখনও পর্যন্ত সেটাই দেশে একদিনে সর্বোচ্চ সংক্রমণ। তারপর থেকে একদিনে সংক্রমণ ৬০ হাজারের উপরে থাকলেও সোমবার তা কিছুটা কমেছিল। গ্রাফ আরও কিছুটা নামল মঙ্গলবারও। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫৭,০৭৯ জন। মৃত্যু হয়েছে আরও ৮৭৬ জনের।
মঙ্গলবার সকালে প্রকাশিত মেডিক্যাল বুলেটিনে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নয়া সংক্রমণে মোট আক্রান্তের সংখ্য়া হয়েছে ২৭,০২,৭৪৩ জন। এখনও চিকিত্সাধীন রয়েছেন ৬,৭৩,১৬৬ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৯,৭৭,৭৮০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫৭,৯৩৭ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে সুস্থতার হার ৭৩.১৮%। মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫১,৭৯৭। মৃতের হার ১.৯২ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৮,৯৯,৮৬৪ জনের কোভিড পরীক্ষা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক।
করোনা পরিস্থিতি LIVE: সুস্থতার হারে দেশে আশার আলো
করোনায় সুস্থতার হার ক্রমেই বাড়ছে দেশজুড়ে। সোমবার যা আগের সমস্ত রেকর্ডকে ছাপিয়ে গিয়েছে।
গত ১৫ এপ্রিল, যখন দেশে করোনার প্রকোপ একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে, তখন সুস্থতার হার ছিল মেরে কেটে ১২ শতাংশ! যে কারও মনে আতঙ্ক ধরিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। কিন্তু, যত সময় গিয়েছে এই সুস্থতার হার হু-হু করে বেড়েছে। মে মাসে তা ২৭ শতাংশে পৌঁছে যায়, জুনে একলাফে ৫০ শতাংশে। জুলাইয়ে ৬০ শতাংশ ছুঁয়ে অগস্টের ১৭ তারিখে তা ৭২ টপকে যায়। বাংলাতেও একই ছবি। এ যাবৎ মোট ১.১৬ লক্ষ আক্রান্তের মধ্যে রোগমুক্তি হয়েছে প্রায় ৯০ হাজার ব্যক্তির। অর্থাৎ, সুস্থতার হার ৭৫ শতাংশেরও বেশি। একই ভাবে দেশে পাল্লা দিয়ে কমেছে করোনাভাইরাসে মৃত্যুর হারও। জুনে যা ছিল ৩.৩৩ শতাংশ, এখন তা কমে ১.৯৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
প্রাক্তন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বক্সার সরিতা দেবীও করোনায় আক্রান্ত
ক্রমাগত বেড়ে চলা করোনা পরীক্ষার হারই এই জোড়া স্বস্তির বেশ কয়েকটি কারণের মধ্যে অন্যতম বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আইসিএমআরের তথ্য অনুযায়ী, শুধুমাত্র রবিবারই দেশে মোট ৭ লক্ষ ৩১ হাজার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের একটি বড় অংশের মতে, এর নেপথ্যে কোনও সরলরৈখিক ব্যাখ্যা নেই। চিকিৎসকরা মনে করছেন, করোনার চিকিৎসায় লাগাতার উন্নতি এই মৃত্যুহার কমার সবচেয়ে বড় কারণ। তাৎপর্যপূর্ণ কারণ হল নভেল করোনাভাইরাসের ভয়াবহতা (ভিরুল্যান্স) কমে যাওয়াও। তবে টেস্ট বৃদ্ধির ভূমিকাও যে একেবারেই নেই, তা নয়।
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।
