coronavirus in bengaluru: মহামারীর ভয়াবহ ছবি, লাশের পাহাড় জমছে বেঙ্গালুরুর শ্মশানের দরজায়! – bodies pile up in front of electric crematoria as covid 19 death toll rises in bengaluru

হাইলাইটস

  • এমনই মর্মান্তিক দৃশ্য গত কয়েকদিন ধরেই স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে বেঙ্গালুরুতে।
  • সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪৯, ৩৯, ৪৯ এবং ১৯ অগস্ট মৃত্যু হয়েছে ৫৬ জনের।
  • বেঙ্গালুরুর মহাদেবপুরার কেঙ্গেরি হেব্বাল এবং বোম্মানাহাল্লির ইলেকট্রিক চুল্লিতেই করোনা রোগীর দেহ পোড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও মৃত্যু পাল্লা দিয়ে বাড়ছে দেশে। বেঙ্গালুরুর ইলেকট্রিক চুল্লি রয়েছে এমন শ্মশানের বাইরে দেহের পাহাড়। দিনের যে কোনও সময় প্রায় সাত থেকে আট ঘণ্টা অপেক্ষা করছে একাধিক অ্যাম্বুল্যান্স বা দেহবাহী গাড়ি। দেহ নিয়ে দীর্ঘসময় লাইনে অপেক্ষা করছেন পরিবারের সদস্যরা। এমনই মর্মান্তিক দৃশ্য গত কয়েকদিন ধরেই স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে বেঙ্গালুরুতে।

গত ১০ দিনের মধ্যে করোনাভাইরাসের জেরে মৃতের সংখ্যা ক্রমশ বেড়েই চলেছে বেঙ্গালুরুতে। গত ১০ অগস্ট থেকে প্রতিদিন মৃতের সংখ্যা ছিল ৩৬, ১৭, ২৩, ২২, ২২, ৩৫। গত ১৬ অগস্ট থেকে তা বেড়ে গিয়েছে অনেকটাই। সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪৯, ৩৯, ৪৯ এবং ১৯ অগস্ট মৃত্যু হয়েছে ৫৬ জনের। প্রতিদিনই কর্নাটকের বেঙ্গালুরুতে প্রায় ১০০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যাচ্ছে গড়ে। গত এক সপ্তাহ ধরে সরকারি হিসেবেও প্রায় ৩৯টি কোভিড রোগীর মৃত্যুর কথা জানানো হয়েছে। বিবিএমপি কর্মী, অ্যাম্বুল্যান্সের চালক, সহকর্মী এবং মৃতের পরিজনেরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা শ্মশানের বাইরে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন।

বেঙ্গালুরুর মহাদেবপুরার কেঙ্গেরি হেব্বাল এবং বোম্মানাহাল্লির ইলেকট্রিক চুল্লিতেই করোনা রোগীর দেহ পোড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে বেঙ্গালুরুতে মোট ১২টি এমন শ্মশান রয়েছে। এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্মী মার্সি মিশনের মহম্মদ ইসমাইল বলেছেন, ‘প্রতি সপ্তাহেই অপেক্ষার পরিমাণ ধীরে ধীরে বেড়েই চলেছে। সাধারণত একটি দেহ পুড়তে প্রায় ৪৫ মিনিট সময় লাগে। তবে শহরের বেশিরভাগ শ্মশানেই কোভিড রোগীর দেহ পোড়ানো বন্ধ। পরিস্থিতি এমন হচ্ছে যে দেহগুলি পচে গন্ধ বেরিয়ে যাচ্ছে।’

পরিস্থিতি এমনও হচ্ছে যে, দেহ নিয়ে অপেক্ষায় থেকে মাঝরাত বা পরদিন ভোর হয়ে যাচ্ছে। বিবিএমপি কর্মীর কথায়, ‘বেশিরভাগ জায়গাতেই কোভিড রোগীর দেহ পোড়ানো হচ্ছে। তবে সংক্রমণের কথা মাথায় রেখে শহরের বাইরেরগুলিতেই বেশি করে নজর দেওয়া হচ্ছে।’ কিন্তু স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার মতে, বিবিএমপির সব শ্মশানেই দেহ পোড়ানোর অনুমতি দেওয়া উচিত। অনেক শ্মশানের বাইরে ৫০ হাজার টাকা খরচ করে প্রশাসনের তরফে ফ্রিজার রাখা হয়েছে। দেহ সেখানে রেখে পরদিন পোড়ানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কখনও কখনও পরিবারের লোকেরা দেহ পোড়াতে বা নিতে অস্বীকার করার ফলে সমস্যা আরও বাড়ছে।

খবরটি ইংরেজিতে পড়ুন

আরও পড়ুন: গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত প্রায় ৬৯ হাজার, সুস্থতার হার ৭৪%

এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

Rohit Shetty extends a helping hand for freelance media videographers, transfers money to their account : Bollywood News

Fri Aug 21 , 2020
Rohit Shetty has been helping people out financially during the lockdown, both from the industry and outside of it. The Sooryavanshi director has already arranged over 11 hotels for the police officers’ stay during the lockdown. He had also ensured that he transfers the money directly to the paparazzi’s accounts […]

You May Like

Breaking News

Recent Posts