আরও পড়ুন: ঘনীভূত হতে পারে নতুন নিম্নচাপ, অতি ভারী বৃষ্টিতে ভাসবে দক্ষিণবঙ্গের জেলা!
এর মধ্যেই টানা বৃষ্টিতে দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় বন্যার ভ্রূকুটি দেখছে রাজ্য সরকার। শনিবার বিভিন্ন জেলা থেকে অবিরাম বৃষ্টির যে রিপোর্ট সেচ ও কৃষি দফতর পাঠিয়েছে, তাতে আগামী তিন দিনে পরিস্থিতি আরও চিন্তাজনক হতে পারে বলে নবান্নের আশঙ্কা। আবহাওয়া দফতর ইতিমধ্যেই সোমবার থেকে টানা তিন দিন দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির আভাস দিয়েছে। এমনিতেই বেশ কয়েকটি নদী বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে, চার-পাঁচটি জেলায় বিস্তীর্ণ কৃষিজমি জলের তলায় চলে গিয়েছে। এর পর যদি আবার বৃষ্টি এবং ঝাড়খণ্ডের বাঁধগুলি থেকে জল ছাড়া শুরু হয়, তা হলে দক্ষিণবঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে। শনিবার দুপুর পর্যন্ত বীরভূমের কুলতোড় ব্যারাজে ৬৫মিলিমিটার, বাঁকুড়ায় ৭৮ মিমি, মুকুটমনিপুরে ৬৫ মিমি,দক্ষিণ ২৪ পরগনার উত্তরভাগে ৬৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এর ফলে দুই মেদিনীপুর, দুই ২৪ পরগনার বিরাট এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ধানের জমি জলের নীচে চলে গিয়েছে। জোয়ারের জল ঢোকায় সুন্দরবনের মিনাখাঁ থেকে মোহনপুর, বিদ্যাধরী থেকে সন্দেশখালি, বাসন্তী-চুনাখালি, গরান বোস, মৌসুনি, পাথরপ্রতিমা, নামখানা এবং সাগর দ্বীপে বহু নদী বাঁধ আবার ভেঙেছে। সে সব বাঁধ ভেঙে গ্রামে জল ঢুকতে শুরু করেছে বলেও নবান্নে খবর এসেছে।
দামোদর অববাহিকায় মঙ্গলবার বেশি বৃষ্টি হবে বলে আবহাওয়া দফতর ডিভিসি কর্তৃপক্ষকেও সতর্ক করেছে। অতিবৃষ্টিতে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ডিভিসি কাজ শুরু করে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার পর্যন্ত ১০ হাজার কিউসেক হারে জল ছাড়া হচ্ছিল। সেটা বাড়িয়ে ২৩ হাজার কিউসেক করা হয়েছে। আপাতত জল ছাড়ার পরিমাণই ধরে রাখা হবে বলে জানা গিয়েছে।
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।
