Bad Effects of Work From Home: WFH ছিবড়ে করে দিচ্ছে শরীর-মন, বাঁচার পথ খুঁজতে ছুটির নিয়মে বদল আনছে কর্পোরেট জগত! – coronavirus crisis: as wfh employees start burning out, companies rejig leave policies

হাইলাইটস

  • সবচেয়ে বেশি কর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন পিঠ-কোমড়-ঘাড় ব্যথা এবং চোখের অসুখে।
  • এ নিয়ে অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন দেশের বিভিন্ন মনোবিদ।
  • অনেক সংস্থা কর্মীদের ‘লিভ ব্যাংক’ অর্থাৎ ছুটি জমা রাখার ব্যবস্থা করেছে।

এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: করোনাভাইরাসের কালবেলায় মহামারীর আতঙ্কে অসংখ্য মানুষ ওয়ার্ক ফ্রম হোম অর্থাৎ, বাড়ি থেকেই অফিস সামলাচ্ছেন। ওয়ার্ক ফ্রম হোমের প্রায় ১০০ দিন পার হয়ে গিয়েছে। কিন্তু সামগ্রিক পরিস্থিতি কর্মীদের সাধারণের থেকে অনেক বেশি ক্লান্ত ও মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। এই পরিস্থিতিতে কম-বেশি প্রত্যেকেই ব্রেক বা ছুটি চাইছেন এই রোজকার কাজ থেকে। করোনার পূর্ববর্তী সময়ে এতদিন সপ্তাহের সোমবার যে মন খারাপের উদ্রেক হত কর্মীদের, সেটা এখন সপ্তাহের প্রতিটা দিনই হচ্ছে। এমনকী পরিস্থিতি এমন যে, চাকরিটা যে রয়েছে সেটাই ভাবছেন বেশিরভাগ কর্মী।

অফিসের কাজ বাড়িতে, আবার বাড়ির বিভিন্ন কাজ। তার সঙ্গে মানসিক চাপ। এর জেরে বহু কর্মীই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন এবং চিকিৎসকের কাছে দৌড়চ্ছেন। এতে সবচেয়ে বেশি কর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন পিঠ-কোমড়-ঘাড় ব্যথা এবং চোখের অসুখে। এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন সংস্থার হিউম্যান রিসোর্স বিভাগ অর্থাৎ এইচআরেরা কর্মীদের সুবিধার্থে কিছু নতুন পদ্ধতি চালু করেছেন। অনেক সংস্থা কর্মীদের ‘লিভ ব্যাংক’ অর্থাৎ ছুটি জমা রাখার ব্যবস্থা করেছে। অনেকে আবার কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করলেও লাঞ্চ টাইমে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে।

এ নিয়ে অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন দেশের বিভিন্ন মনোবিদ। ডক্টর অবিনাশ ডিসুজা জানিয়েছেন, তাঁর কাছে একাধিক কর্মী এসেছেন ওয়ার্ক ফ্রম হোমের স্ট্রেস নিয়ে। এমনকী অনেকে মানসিক অবসাদেরও শিকার। ছুটির অভাব এবং চাকরির অনিশ্চয়তাই যেন ওয়ার্ক ফ্রম হোমের শত্রু। অন্যদিকে, মনোস্তত্ববিদ ডক্টর সীমা হিঙ্গোরানির অভিজ্ঞতা, বেশিরভাগ তাঁর কাছে এসেছেন কাজের প্রতি অনীহা, সারাক্ষণ ক্লান্ত লাগা, শরীরের ব্যথা এবং স্পনডিলাইসিসের সমস্যা নিয়ে। এমনকী মেয়েদের ঋতুচক্রের সমস্যাও দেখা দিয়েছে। কর্মীরা এই সময়ে কী কারণে ছুটি নেবেন তা নিয়েও সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।

অন্যদিকে, এই লকডাউন পিরিয়ডে ওয়ার্ক ফ্রম হোমের কারণে কাজের পরিমাণ বেড়ে গিয়েছে বেশিরভাগ সংস্থায়। সোসাইটি ফর হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট ইন্ডিয়ার সিনিয়র নলেজ অ্যাডভাইজার নেহা পন্থ অন্তত এমন কথাই জানিয়েছেন। বাড়ি থেকে কাজের যে কিছু সুবিধে রয়েছে সেটিকে সামনে রেখে কাজের পরিমাণ বাড়িয়েছেন কর্মীরা। কিন্তু এর ফলে শরীর ও কাজের চাপে মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন তাঁরা।

এই পরিস্থিতিতে অনেক সংস্থা কর্মীদের ছুটি নেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই বলে সুবিধে নিয়েছে। যতক্ষণ না করোনার উপসর্গ বলা হয়েছে, ততক্ষণ ছুটি দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন নেহা পন্থ। বাড়িতে কাজ করলে যেতেহু ছোট ছোট ব্রেক নেওয়া যায় না তাই অনেক সংস্থা লিভ ব্যাংক তৈরি করে তাঁদের সহযোগিতার চেষ্টাও করছে।

আরও পড়ুন: ওয়ার্ক ফর্ম হোমে ঢালাও অফার BSNL-এর, মিলবে 70GB অবধি হাইস্পিড ইন্টারনেট

খবরটি ইংরেজিতে পড়তে ক্লিক করুন

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

১২ হাজার টাকায় করোনা প্রতিকার বাতলে শ্রীঘরে স্বঘোষিত ধর্মগুরু ইসমায়েল

Sun Jul 26 , 2020
এর আগেও ৭০ জনের বেশি মানুষকে ঠকিয়েছে এই স্বঘোষিত ধর্মগুরু। Source link

You May Like

Breaking News

Recent Posts