হাতের তালু আর চোখ
কিছু ব্যায়াম, যা চোখের ক্লান্তি দূর করার পাশাপাশি দৃষ্টিশক্তির উন্নতিতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। কম্পিউটারে কাজ করতে করতেই একটু সময় চোখ বন্ধ রাখুন। হাতের তালুর মধ্যে চোখগুলিকে একটু আরাম দিন। এমন কয়েক মিনিট করলেই দেখবেন চোখ অনেকটা সতেজ লাগছে। ক্লান্তিও দূর হচ্ছে। আর চাখের ক্লান্তি দূর হলে চোখের কোনও ধরনের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা যেমন কমবে, তেমনি দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার আশঙ্কাও আর থাকবে না।
চোখের পাতা ফেলুন
স্ক্রিনে কাজ করার সময় স্বাভাবিক হারের চেয়ে অনেকটাই কম আমাদের চোখের পাতা পড়ে। ফলে চোখের উপর চাপ বাড়তে শুরু করে। কাজ করার সময় এদিকটা খেয়াল রাখুন। সে কারণেই যারা দিনের বেশিরভাগ সময় কম্পিউটারে কাজে করেন, তাদের কিছু সময় পরপর চোখ পিট পিট করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। এমনটা করলে চোখের ক্লান্তি দূর তো হয়ই। সেই সঙ্গে চুলকানি এবং ড্রাই আইয়ের মতো সমস্যাও দূর হয়।
চোখের মণি ঘোরান ঘড়ি দেখে
প্রথমে ঘড়ির কাঁটার দিকে এবং তার পর ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে চোখের মণিকে ঘোরাতে হবে। তবে পুরো ব্যায়ামটা খুব ধীরে ধীরে করবেন। এমনটা প্রতিদিন ২-৩ মিনিট করলেই দেখবেন দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটতে শুরু করেছে। সেই সঙ্গে মনযোগও বৃদ্ধি পাবে। চোখের যত্ন নিতে এটা কিন্তু প্রাথমিক কাজ। এটা করতে পারলে অনেকটা আরাম পাবেন।
চোখে গরম-ঠান্ডা জলের ভাপ
একটা বাটিতে গরম জল আর আরেকটা বাটিতে ঠাণ্ডা জল নিয়ে নিন। তার পর একটা তোয়ালে গরম জলে ডুবিয়ে কিছু সময় চোখের ওপর রাখুন। তার পর ঠান্ডা জল দিয়ে একই ভাবে চোখে ভাপ দিন। এমন কয়েক মিনিট করলে সারা দিন ধরে কাজ করতে করতে চোখের যে ক্ষতি হয়েছে, তা ঠিক হতে শুরু করবে। সেই সঙ্গে ক্লান্তি দূর হবে এবং দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটবে।
ফোকাস শিফটিং
চোখের পেশির ক্ষমতা বাড়াতে এই ব্যায়ামটি দারুন কাজে আসে। এক্ষেত্রে চোখের একেবারে সামনে যে বস্তুটি আছে তার দিকে তাকান। ৫ সেকেন্ড তাকিয়ে থাকার পর তার থেকে একটু দূরে রয়েছে এমন কিছুর দিকে এক দৃষ্টিতে পুনরায় ৫ সেকেন্ড তাকিয়ে থাকুন। এমনটা করতে থাকলে চোখের পেশির কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। আর এটা করলে স্বাভাবিক ভাবেই দৃষ্টিশক্তি বাড়তে শুরু করে।
