হাইলাইটস
- উত্তেজিত হয়ে প্রকাশ্যেই হুমকি দেন, ‘ইচ্ছে করছে এক ঘুষিতে তোমার মুখ ভেঙে দিই।’
- ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম অনুযায়ী, ফার্স্ট লেডি মিশেল এবং তাঁর দুই সহকারী নাকি একটি প্রকল্পের নাম করে সরকারি আধিকারিকদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়েছেন।
- সাংবাদিকের ‘অপরাধ’ তিনি প্রেসিডেন্টের স্ত্রীর বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন।
রবিবার রাজধানী ব্রাসিলিয়ার এক ক্যাথিড্রালে প্রার্থনা করতে যান বলসোনারো। সেখান থেকে বেরনোর পরই সাংবাদিকরা তাঁকে ঘিরে ধরেন। দেশের করোনা পরিস্থিতি ও সরকারের ভূমিকা নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন করেন। কিন্ত তার মাঝে তাল কাটে ‘ও গ্লোবো’ নামে এক সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধির প্রশ্নে। ব্রাজিলের ফার্স্ট লেডি মিশেল বলসোনারোর বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন ওই সাংবাদিক। তাতেই রেগে লাল হয়ে ওঠেন প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারো। উত্তেজিত হয়ে প্রকাশ্যেই হুমকি দেন, ‘ইচ্ছে করছে এক ঘুষিতে তোমার মুখ ভেঙে দিই।’
ঘটনাস্থলেই বাকি সাংবাদিকরা এর প্রতিবাদ করেন। সঙ্গে সঙ্গে সেখান থেকে চলে যান বলসোনারো। প্রেসিডেন্টের এই আচরণে ক্ষোভে ফেটে পড়েছে ব্রাজিলের সাংবাদিক মহল। তাঁদের মতে, একজন সাংবাদিক নিজের পেশার প্রতি দায়বদ্ধ থেকে প্রশ্ন করেছিলেন। তার উত্তরে প্রেসিডেন্ট তাঁকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছেন। এর জবাব মানুষই দেবে বলে মত সাংবাদিক মহলের। সমাজের বাকি স্তর থেকেও প্রেসিডেন্টের এমন আচরণের সমালোচনা করা হয়েছে।
ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম অনুযায়ী, ফার্স্ট লেডি মিশেল এবং তাঁর দুই সহকারী নাকি একটি প্রকল্পের নাম করে সরকারি আধিকারিকদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়েছেন। ২০১১ সাল থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে মিশেলের অ্যাকাউন্টে এই টাকা জমা পড়েছে। এই দুর্নীতির ঘটনায় ইতোমধ্যেই প্রেসিডেন্টের ছেলে ফ্ল্য়াভিও বলসোনারো এবং তাঁর প্রাক্তন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। যদিও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে এখনও মুখ খোলেননি ফার্স্ট লেডি।
আরও পড়ুন: ট্রাম্প আদ্যন্ত মিথ্যুক-নিষ্ঠুর, দাবি বোনের
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।
