হাইলাইটস
- পরপর দুদিন রাজ্যে একদিনে আক্রান্তের থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা ব্যক্তির সংখ্যা বেশি।
- করোনা সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙতে জুলাই ও অগস্ট মাসে সপ্তাহে একদিন-দুদিন করে রাজ্যজুড়ে সম্পূর্ণ লকডাউন হয়েছে, এ মাসে লকডাউন এখনও বাকি রয়েছে।
উল্লেখ্য, করোনা সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙতে জুলাই ও অগস্ট মাসে সপ্তাহে একদিন-দুদিন করে রাজ্যজুড়ে সম্পূর্ণ লকডাউন হয়েছে, এ মাসে লকডাউন এখনও বাকি রয়েছে। আর এই লকডাউনের সাফল্যের উপরে করোনা পরিস্থিতির সাফল্য নির্ভর করছে বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছিলেন। সেই কারণে প্রশাসনিক তৎপরতায় প্রতিটি লকডাউনে সাফল্যের ছবি ধরা পড়েছে গোটা রাজ্যেই। তারই সুফল হিসেবে সংক্রমণে রাশ টানা সম্ভব হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, রাজ্যে পরবর্তী পূর্ণাঙ্গ লকডাউন রয়েছে ২৭ এবং ৩১ অগস্ট।
মঙ্গলবার স্বাস্থ্য দফতর থেকে প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৯৬৪ জন। নয়া সংক্রমিত-সহ মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ লক্ষ ৪৪ হাজার ৮০১ জন। এর মধ্যে এখনও পর্যন্ত ১ লক্ষ ১৪ হাজার ৫৪৩ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাজয়ীর সংখ্যা ৩ হাজার ২৫১ জন, যা এখনও পর্যন্ত রেকর্ড। ফলে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৭৯.১০ শতাংশ। ফলে রাজ্যে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৩৪০ জন।
আরও পড়ুন: নরেন্দ্র মোদীর বাবার চায়ের দোকান কোথায় ছিল? কোনও তথ্য নেই রেলের কাছেই!
এদিকে, রাজ্যে একদিনে প্রাণ হারিয়েছেন আরও ৫৮ জন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি। ফলে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ২ হাজার ৯০৯ জন। যদিও মৃতদের মধ্যে ১৩.৬৯ শতাংশের বয়স ৭৫ বছরের বেশি। আর ৬.২২ শতাংশের বয়স ৬১ থেকে ৭৫ বছরের মধ্যে বলে সরকারি পরিসংখ্যান থেকে উঠে এসেছে।
সারা দেশের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গেও ক্রমশ বাড়ছে টেস্টের সংখ্যা। এদিন রাজ্যে মোট ৩৭ হাজার ৫২৪টি নমুমা পরীক্ষা করা হয়েছে। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত মোট ১৬ লক্ষ ৩৪ হাজার ১০২টি নমুনা পরীক্ষা করা হল।
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।
