Kim Jong Un news: Schools Will Open From September 1 In Kim Jong Un’s North Korea, Sick Children Will Not Return To Home – স্বৈরাচারী কিমের কোরিয়া: সেপ্টেম্বর থেকেই স্কুলে পড়ুয়ারা, অসুস্থ হলে বাড়ি ফেরায় নিষেধ!

হাইলাইটস

  • দেশের আর্থিক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও সামরিক বাজেটে বা খরচে কোনও কাটছাঁট করেননি কিম জং উন।
  • এদিকে, সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ার প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের সহযোগী ও কূটনীতিক চ্যাং সং মিন দাবি করেছেন, ‘কোমায় রয়েছেন কিম জং উন।’ এরপরই হইচই শুরু হয়।
  • তবে পিয়ংইয়ংয়ের তরফে কিছুই জানানো হয়নি।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: কিম-রাজত্বে এমনিই সময় ভালো যাচ্ছিল না। করোনা পর্বে ধাক্কা খেয়েছিল উত্তর কোরিয়ার অর্থনীতি। আর্থিক মন্দা নিয়ে পিয়ংইয়ং মুখে কুলুপ এঁটে থাকলেও গত দু’দশকে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় দেশের অর্থনীতি বলে প্রকাশিত বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে। এমন সময়ও স্বৈরাচারী সিদ্ধান্ত থেকে পিছপা হচ্ছে না কিম জং উনের প্রশাসন। দাপুটে শাসকের কোমা-স্থিতি এবং বোনের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের জল্পনার মধ্যেই প্রকাশ্যে উত্তর কোরিয়ার আরও এক স্বৈরাচারী নির্দেশ। ১ সেপ্টেম্বর থেকে প্রত্যেক পড়ুয়াকে স্কুলে পাঠানোর নির্দেশ জারি করেছে সে দেশের প্রশাসন।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের শুরু থেকে সব শিশুদেরই স্কুলে পাঠাতে নির্দেশিকা জারি করেছে উত্তর কোরিয়ার প্রশাসন। এমনকী বাদ নেই অসুস্থ শিশুরাও। তবে অসুস্থ শিশুরা স্কুলে আসার পর শারীরিক ভাবে সুস্থ না থাকলে, স্কুলেই থেকে যাবে। তাদের বাড়ি পাঠানো হবে না। সুস্থ হলে তারা বাড়িতে ফিরতে পারবে। একইসঙ্গে স্কুলগুলির উদ্দেশে নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ক্লাসের ৭% বা বেশি পড়ুয়া জ্বর, সর্দি, কাশিতে আক্রান্ত হলে ক্লাস বাতিলের সিদ্ধান্ত নিতে হবে স্কুলগুলিকে। এবং জানাতে হবে সুনির্দিষ্ট পৌরসভা এবং রোগ প্রতিরোধ সংস্থাকে।

কিম প্রশাসনের এই নির্দেশে আতঙ্কিত অভিভাবকরা। তবে শাসকের ভয়ে প্রতিবাদের সাহস দেখাতে পারছেন না তাঁরা। প্রসঙ্গত, উত্তর কোরিয়ায় পরিবারের যে কোনও সদস্যের অপরাধের সাজা গোটা পরিবারকেই পেতে হয়।

আরও পড়ুন: বাড়ি অপরিষ্কার? কিমের নির্দেশে কারাদণ্ড উত্তর কোরিয়ায়!

উত্তর কোরিয়ার সাক্ষরতার হার নিয়ে প্রচুর দাবিদাওয়া হয়ে থাকে। তবে দেশের প্রকৃত রিপোর্ট কখনই প্রকাশ্যে আসেনি। এই দেশে পড়ুয়াদের শিক্ষার খরচ রাষ্ট্র বহন করে। পিয়ংইয়ংয়ের দাবি, দেশে সাক্ষরতার হার ১০০%। প্রসঙ্গত, ১৯৮৮-তে UNESCO-র তরফে উত্তর কোরিয়ার শিক্ষা ব্যবস্থার উপর সমীক্ষা করা হয়েছিল। তাতে জানানো হয়, প্রাথমিক থেকে কলেজ পর্যন্ত শিক্ষক-অধ্যাপকের সংখ্যা অনেক।

উল্লেখযোগ্য দেশের আর্থিক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও সামরিক বাজেটে বা খরচে কোনও কাটছাঁট করেননি কিম জং উন। এদিকে, সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ার প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের সহযোগী ও কূটনীতিক চ্যাং সং মিন দাবি করেছেন, ‘কোমায় রয়েছেন কিম জং উন।’ এরপরই হইচই শুরু হয়। তবে পিয়ংইয়ংয়ের তরফে কিছুই জানানো হয়নি।

এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

Scientists Challenge Key Survival Stat Cited by U.S. Officials in Plasma Approval

Wed Aug 26 , 2020
By Robin Foster and E.J. MundellHealthDay Reporters TUESDAY, Aug. 25, 2020 (HealthDay News) As the World Health Organization cautioned on Monday that using plasma from COVID-19 survivors to treat other patients is still an experimental therapy, American scientists challenged a key statistic cited by U.S. officials as grounds for emergency […]

Breaking News

Recent Posts