Rahat Khan: প্রখ্যাত সাংবাদিক-সাহিত্যিক রাহাত খান প্রয়াত – journalist and author rahat khan has died at the age of 80

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলাদেশের বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক-সাংবাদিক রাহাত খানের জীবনাবসান হয়েছে। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। ডায়াবেটিসের সমস্যাও ছিল। তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মোহম্মদ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জানা গিয়েছে, রাতে রাহাত খানের মরদেহ বারডেম হাসপাতালের হিমাগারে রাখা হবে। রাত সওয়া ৯টায় সাহিত্যিকের স্ত্রী অপর্ণা খান নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে রাহাত খানের মৃত্যুসংবাদ দেন।

সাহিত্যিকের পরিবার সূত্রে খবর, শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় (বাংলাদেশ সময়) রাহাত খান নিজের বাসভবনেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ওনার শেষ ইচ্ছে ছিল, মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাঁকে যেন সমাহিত করা হয়। সেই ইচ্ছেপূরণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছেন সাহিতিক্যের পরিজনেরা।

২০ জুলাই রাহাত খানকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ঢাকার বারডেম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। এর আগের দিন বাড়িতে খাট থেকে নামতে গিয়ে কোমরে তিনি আঘাত পান। এর পর চিকিত্‍সকের পরামর্শে এক্স-রে করা হলে, পাঁজরে গভীর ক্ষত ধরা পড়ে। তাঁর শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে জরুরিভিত্তিতে তাঁকে বারডেম হাসপাতালের আইসিউতে ভর্তি করা হয়। কিছুদিন হাসপাতালে রেখে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়েছিল।

দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, কিডনি, ডায়াবেটিস-সহ বার্ধক্যজনিত নানা আসুখে ভুগছিলেন তিনি। যার জন্য তার চিকিত্‍সা প্রক্রিয়াটা জটিল হয়ে পড়ায় সার্জারি করা যাচ্ছিল না বলে বাসাতেই অবস্থান করছিলেন।

রাহাত খানের পরিবারের তরফে বলা হয়, চিকিত্‍সকেরা ২৯ জুলাই আমাদের জানিয়ে দিয়েছেন হাসপাতালে রেখে কোনও লাভ হবে না। ডায়েবেটিস, কিডনি ও হার্টের সমস্যা থাকার কারণে কোনও সার্জারি করা যাবে না। তাই বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়। জীবনের শেষ কয়েকটা দিন সারাক্ষণ বিছানায় শুয়েই কেটেছে এই সাহিত্যিক-সাংবাদিকের।

রাহাত খান বাংলাদেশের একজন খ্যাতিনামা সাহিত্যিক। ছোটগল্প ও উপন্যাস উভয় শাখাতেই ছিল তাঁর অবাধ বিচরণ। সাংবাদিক হিসেবেও রাহাত খানের অবদান উল্লেখযোগ্য। দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় তিনি ১৯৬০-এর দশক থেকে কর্মরত ছিলেন। তিনি দৈনিক ইত্তেফাকের সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন। ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ সরকার রাহাত খানকে একুশে পদক দিয়ে সম্মানিত করেন। এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান। বিখ্যাত সিরিজ মাসুদ রানার রাহাত খান চরিত্রটি তাঁর অনুসরণেই তৈরি করা।

১৯৪০ সালের ১৯ ডিসেম্বর কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার পূর্ব জাওয়ার গ্রামের খান পরিবারের জন্মগ্রহণ করেন রাহাত খান। কথাসাহিত্যিক হিসেবে সমাদৃত হলেও কর্মসূত্রে রাহাত খান ছিলেন আপাদমস্তক সাংবাদিক।

একুশে পদক ছাড়াও তিনি অসংখ্য সম্মান পেয়েছেন। একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৭৩), সুহৃদ সাহিত্য পুরস্কার (১৯৭৫), সুফী মোতাহার হোসেন পুরস্কার (১৯৭৯), আবুল মনসুর আহমদ স্মৃতি পুরস্কার (১৯৮০), হুমায়ুন কাদির স্মৃতি পুরস্কার (১৯৮২) এবং ত্রয়ী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৮) রয়েছে সেই তালিকায়।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

‘Local transfer pricing cases to go faceless’

Fri Aug 28 , 2020
Domestic transfer pricing cases to also be covered under the faceless assessment mechanism The Income-Tax Department will soon start sending out intimation to assessees undergoing scrutiny that such cases would now be handled under faceless assessment, a tax official said on Friday. CBDT Additional Commissioner Jaishree Sharma also said domestic […]

You May Like

Breaking News

Recent Posts