কিছুদিন আগে পর্যন্ত মহারাষ্ট্রে দৈনিক যত কোভিড কেস ধরা পড়ত, তার সিংহভাগই ছিল বাণিজ্যনগরীতে। মুম্বইয়ে মোটের উপর পরিস্থিত নিয়ন্ত্রণের মধ্যে এলেও পিম্পরি চিঞ্চবাড়, সাঙ্গলি, সোলাপুরের মতো এলাকাগুলিতে সংক্রমণ ব্যাপক হারে ছড়াচ্ছে। একই ভাবে তামিলনাড়ুর বিরুধুনগর, কর্নাটকের বেলারিতে করোনাভাইরাসের প্রকোপ দেখা দিয়েছে।
আরও পড়ুন: কুস্তিগীর বিনেশ ফোগট করোনা পজিটিভ
মন্ত্রিসভার সচিব রাজীব গৌবা বৃহস্পতিবার দেশের করোনা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। ভারতে বিগত দু-সপ্তাহে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস সংক্রমণে যত জন মারা গিয়েছেন, তার ৮৯ শতাংশই ঘটেছে দেশের ৯টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। ফলে, ওই নির্দিষ্টি অঞ্চলগুলির কোভিড ম্যানেজমেন্ট কৌশল নিয়ে তাঁকে আলাদা করে আলোকপাত করতে হয়েছে। ওই ৯ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের পাশাপাশি কড়া ভাবে কোভিড নজরদারি চালিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: চিন্তা কমছে কলকাতায়-আতঙ্ক বাড়ছে উত্তর ২৪ পরগনায়! ২৪ ঘণ্টায় সুস্থের সংখ্যা ৩২৮৬
রাজ্যগুলির মুখ্যসচিব ছাড়াও স্বাস্থ্যসচিবদের সঙ্গেও তিনি ভিডিয়ো কনফারেন্সে কথা বলেছেন। এই রাজ্যগুলির মধ্যে রয়েছে মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, কর্নাটক, তেলেঙ্গানা, গুজরাত, পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরপ্রদেশ, পঞ্জাব, অন্ধ্রপ্রদেশ ও জম্মু-কাশ্মীর। উল্লিখিত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রতিটি জেলায় যাতে করোনায় মৃত্যুহার ১ শতাংশের নীচে নামিয়ে আনা যায়, সেদিকে নজর দিতে বলা হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ অগস্ট) রাত পর্যন্ত ভারতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৪ লক্ষ ৬১ হাজার ২৪০। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৭৬ হাজার ৬৬৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ৬২ হাজার ৭১৩ জনের। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গিয়েছেন ১ হাজার ১৯ জন।
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।
