gdp collapses: লকডাউনে বেনজির ২৪% পতন জিডিপিতে – gdp collapses 23.9% in q1 amid lockdown, worst among big economies

এই সময়: করোনা মহামারী আটকাতে ৬৮ দিনের লকডাউনে সংক্রমণে রাশ পড়েনি, কিন্তু দেশের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে। সোমবার প্রকাশিত সরকারি পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, এপ্রিল-জুন ত্রৈমাসিকে দেশের অর্থনীতি নজিরবিহীন ভাবে ২৩.৯% সঙ্কুচিত হয়েছে, যেটা গত চল্লিশ বছরে দেখা যায়নি। বস্তুত, অর্থনীতির এতটা গভীর সঙ্কোচন স্বাধীনতার পরেই আর কখনও হয়নি। এর পর জুলাই-সেপ্টেম্বরেও যদি অর্থনীতির সঙ্কোচন জারি থাকে, যার সম্ভাবনা খুব বেশি, তা হলে আমরা সরকারি ভাবে অর্থনৈতিক কবলে পড়ব। রেটিং সংস্থা ক্রিসিলের আশঙ্কা, ‘স্বাধীনতার পর চতুর্থবার মন্দার সম্মুখীন দেশ এবং এই মন্দা হয়তো সবচেয়ে তীব্র হবে।’ সংস্থাটি মনে করে, পরের ত্রৈমাসিকগুলিতে অর্থনীতি যদি খানিকটা ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে তা হলেও পুরো অর্থবছরে ভারতীয় অর্থনীতি ৫% সঙ্কুচিত হতে পারে।

গত ২৫ মার্চ থেকে দেশজোড়া লকডাউনের কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্পোৎপাদন হঠাৎ স্তব্ধ হয়ে যায়। ১ জুন থেকে ধীরে ধীরে লকডাউন ওঠা শুরু হলেও ব্যবসা-বাণিজ্য, কলকারখানায় উৎপাদন, কর্মসংস্থান তৈরিতে তেমন গতি আসেনি। এ দিনের পরিসংখ্যান থেকেই স্পষ্ট, কৃষি ছাড়া বাকি সব শিল্প ক্ষেত্রেই, বিশেষ করে ম্যানুফ্যাকচারিং বা কলকারখানায়, উৎপাদন কমেছে আশাতীত। শুধুমাত্র কৃষিক্ষেত্রেই ৩.৪% বৃদ্ধি দেখা গিয়েছে। অর্থাৎ, বৃষ্টি ও খারিফ চাষ ভালো না-হলে, অর্থনীতি আরও সঙ্কুচিত হত।

এই পরিসংখ্যান থেকে আরও একটা বিষয় উঠে আসে। সেটা হল, অর্থনীতিতে করোনা মহামারীর প্রভাব কমাতে কেন্দ্রীয় সরকার পাঁচ দফায় মোট ২১ লক্ষ কোটি টাকার যে আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করেছিল, অর্থনীতিতে তার কোনও উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়েনি — অন্তত ওই তিন মাসে।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হল, গত বেশ কিছু মাস ধরে মানুষের ভোগব্যয় কমছে এবং গত এপ্রিল-জুন মাসে ওই ব্যয় অর্ধেকের বেশি (৫৪.৩%) কমে গিয়েছে। অথচ, ২০১৯ সালের ওই ত্রৈমাসিকে দেশে ভোগব্যয় বেড়েছিল ৫৬.৪%।

আয়, কর্মসংস্থান হারিয়ে মানুষ ভোগব্যয় কমানোর ফলে বাজার থেকে ক্রেতাচাহিদা উবে গিয়েছে। গাড়ি-বাড়ির মতো অত্যাবশ্যক নয় এমন পণ্যের বিক্রি কমেছে সবচেয়ে বেশি।

এর থেকেই বোঝা যায়, করোনা আবহে মানুষ কতটা শঙ্কিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণ মানুষের মন থেকে ভবিষ্যত আয় নিয়ে শঙ্কা না কাটা পর্যন্ত তাঁরা অনাবশ্যক খরচ করতে সাহসী হবেন না এবং বাজারে ক্রেতাচাহিদাও ফিরবে না। তাঁদের কথায়, সমস্ত ধরনের ভোগ্যপণ্যেরই বিক্রি কমেছে কোভিড-১৯ পর্বে। বাজারে চাহিদা না-থাকায়, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং কলকারখানাও পুরোদমে চালু হচ্ছে না।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

Last rites of former President Pranab Mukherjee to be held today in Delhi | कोरोना प्रोटोकॉल के साथ आज दिल्ली में अंतिम संस्कार किया जाएगा, इससे पहले श्रद्धांजलि के लिए पार्थिव देह घर पर रखी जाएगी

Tue Sep 1 , 2020
Hindi News National Last Rites Of Former President Pranab Mukherjee To Be Held Today In Delhi नई दिल्ली3 मिनट पहले कॉपी लिंक पूर्व राष्ट्रपति प्रणब मुखर्जी का सोमवार को 84 साल की उम्र में निधन हो गया। 10 अगस्त को ब्रेन सर्जरी के बाद वे वेंटीलेटर पर थे। कोरोना संक्रमण […]

You May Like

Breaking News

Recent Posts