এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: কিছুদিন আগেই এক জাতীয় বৈদ্যুতিন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে রিয়া চক্রবর্তী (Rhea Chakraborty) জানিয়েছিলেন ২০১৩ সালে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েন
সুশান্ত সিং রাজপুত (Sushant Singh Rajput)। তখন তিনি চিকিত্সার জন্যে ডা হরিশ শেট্টির কাছে যেতেন। এদিকে সুশান্তের প্রাক্তন প্রেমিকা অঙ্কিতা লোখান্ডে (Ankita Lokhande) রিয়ার দাবি উড়িয়ে দিয়ে বলেছিলেন, ২০১৬ সাল পর্যন্ত তাঁর ও সুশান্তের সম্পর্ক ছিল এবং সুশান্ত একদিনের জন্যেও অবসাদে ভোগেননি।
এবার এই বিষয়ে মুখ খুললেন চিকিত্সক হরিশ শেট্টি। মুম্বই পুলিশকে দেওয়া তাঁর বয়ান হাতে এসেছে এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের। সেখানেই তিনি দাবি করেছেন, ‘২০১৩ সাল নয়, ২০১৪ সালে সুশান্ত আন্ধেরিতে আমার ক্লিনিকে এসেছিলেন। আগে থেকে কোনও অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া ছিল না তাঁর। সেই সময়ে ক্লিনিকে আরও অনেক রোগী বসে ছিলেন। সুশান্ত সেই সময়ে আমাকে জানিয়েছিলেন তাঁর ভালো করে ঘুম হয় না এবং ইনসমনিয়ায় ভোগেন। ওঁর কথা শোনার পর সুশান্তকে ভালো করে দেখি। আমার চোখে কোনও গুরুতর সমস্যা পড়েনি। অপর্যাপ্ত ঘুম এবং ইনসমনিয়া কাটানোর জন্যে সেদিন কিছু ওষুধ ওঁকে লিখে দিয়েছিলাম এবং পরে একদিনের অ্যাপয়েন্টমেন্ট দিয়েছিলাম।’ তিনি এও জানান, ওই দিনের পর আর কখনও সুশান্ত তাঁর কাছে ফিরে যাননি। এর আগে সুশান্ত এবং রিয়ার সায়াকিয়াট্রিস্ট সুজান ওয়াকার জানিয়েছিলেন বাইপোলার ডিজঅর্ডারের সমস্যায় ভুগছিলেন অভিনেতা।
প্রসঙ্গত, ১৪ জুন সুশান্তের আত্মহত্যার খবর সামনে আসার সঙ্গে আরও একটি দাবি উঠে আসে। বলা হয়েছিল, গত ৫-৬ মাস ধরে ক্লিনিক্যাল ডিপ্রেশনে ভোগা সুশান্ত চিকিৎসকের পরামর্শ নিচ্ছিলেন। হিন্দুজা হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতেন তিনি। সেই ডাক্তারের সঙ্গে পুলিশ ইতোমধ্যেই কথা বলেছেন। তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে মুম্বই পুলিশ জানিয়েছিল চিকিৎসকের পরামর্শ মতো সুশান্ত ওষুধ খাচ্ছিলেন না।
আরও পড়ুন: ‘ঘরে দীর্ঘ সময় একা থাকতেন, মাঝেমধ্যেই কান্নায় ভেঙে পড়তেন সুশান্ত’, চাঞ্চল্যকর দাবি স্যামুয়েল মিরান্ডার…
চতুর্থ দিনেও চলছে জেরা, রিয়ার বিরুদ্ধে এবার ফৌজদারি মামলা NCB-র
সুশান্ত মামলায় দুই ‘ঘনিষ্ঠ’ সিদ্ধার্থ পিঠানি-দীপেশ সাওয়ান্ত এবার রাজসাক্ষী!
ডাক্তারের নির্দেশ মেনে কোনও ওষুধই খাচ্ছিলেন না সুশান্ত: মুম্বই পুলিশ
অন্যদিকে সুশান্তের কর্মচারী স্যামুয়েল মিরান্ডা জানিয়েছিলেন, সুশান্তের বর্তমান কর্মচারীরা এবং রিয়া চক্রবর্তী অভিনেতার মাথায় ঢুকিয়েছিলেন তিনি আগে যে বাড়িতে থাকেন সেটি ভূতুড়ে। সুশান্ত নাকি মাঝেমধ্যেই রাতে ঘুম থেকে উঠে বেডরুমের বাইরে এসে ঈশ্বরের মূর্তি জড়িয়ে ধরতেন এবং কিছুক্ষণ পর সেই মূর্তি সঙ্গে নিয়ে ফের নিজের ঘরে চলে যেতেন। এই ধরনের আচরণ শুরু হয় ২০১৯ সালে ইউরোপ ভ্রমণ থেকে ফিরে আসার পর থেকেই। এখানেই শেষ নয়। মাঝেমধ্যেই নাকি সুশান্ত অসুস্থ বোধ করতেন এবং নিজের ঘরে একাই সময় কাটাতেন।
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন–
Source link