died by suicide: কলকাতায় অনলাইন ক্লাস চলাকালীন আত্মঘাতী ক্লাস সেভেনের ছাত্র! – kolkata: class 7 boy died by suicide while giving online class

হাইলাইটস

  • বাবা-মা দু’জন যখন বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন তখন স্কুলের অনলাইন ক্লাস করছিল ছেলে।
  • কিছুক্ষণ পর যখন বাবা ফিরলেন তখন বাড়ির দরজা ভেঙে সপ্তম শ্রেণীর ওই ছাত্রের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেন করলেন।
  • পাশে পড়ে মোবাইল।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: বাবা-মা দু’জন যখন বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন তখন স্কুলের অনলাইন ক্লাস করছিল ছেলে। কিছুক্ষণ পর যখন বাবা ফিরলেন তখন বাড়ির দরজা ভেঙে সপ্তম শ্রেণীর ওই ছাত্রের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেন করলেন। পাশে পড়ে মোবাইল। পরে হাসপাতাল থেকে ওই ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যুর কথা জানতে পারে রিজেন্টপার্ক থানার পুলিশ। স্কুলে অনলাইনে ক্লাসে পড়াশোনা করতে রাজি না থাকায় মাঝেমধ্যেই তাকে বকাবকি শুনতে হত বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। এদিন সকালেও স্কুলের অনলাইন ক্লাস ছিল ছাত্রের। বাবা-মা কাজে বেরিয়ে যাওয়ার আগে তাকে অনলাইন ক্লাসের জন্য বসিয়ে দিয়ে গিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু তার কিছুক্ষণ পর ফিরে এসে ছাত্রের বাবা ওই ঘটনা দেখেন। অনলাইন ক্লাস চলার মাঝেই ওই ছাত্র আত্মহত্যা করেন বলে অনুমান পুলিশ।

রিজেন্টপার্কের কালীতলায় বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকত ওই ছাত্র। স্থানীয় একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে পড়ত। তার বাবা রেলের ঠিকাদার। মা শহরের একটি দাঁতের ক্লিনিকের কর্মী। বাঘাযতীন স্টেট জেনারেল হাসপাতাল থেকে ওই ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যুর কথা জানতে পেরে ঘটনাস্থল এবং হাসপাতালে যায় পুলিশের দল। প্রাথমিক অনুসন্ধানে পুলিশ জানতে পেরেছে, তাঁর বাবা প্রায় কাজের সূত্রে বাইরে থাকেন। কিন্তু গত দেড় মাস ধরে বাড়িতেই থাকছেন তিনি। মঙ্গলবার সকাল ১০টা নাগাদ কাজে বেরিয়ে যান তার মা। তাঁকে সাইকেলে করে ছাড়তে যান ছাত্রের বাবা। করোনার কারণে কয়েক মাস ধরেই স্কুল গুলিতে অনলাইন ক্লাস চলছে। ঘটনার দিন সকালেও ওই ছাত্রের অনলাইন ক্লাস ছিল। ছেলেকে ক্লাস করতে দেখেই তাঁরা দু’জন বেরিয়ে যান। সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ ফিরে আসেন ছাত্রের বাবা। বারবার ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া পাচ্ছিলেন না। কাঠের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ ছিল। তার বাবার চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। দরজা ভেঙে ঘরের ভিতর থেকে গলায় ওড়নার ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে তাঁর বাবা।

রোজ গড়ে ৩৮১ জন আত্মঘাতী! শীর্ষে মহারাষ্ট্র, তিনে রয়েছে বাংলা

পুলিশ জানতে পেরেছে, ওই ছাত্র লোকজনের সঙ্গে খুব কম কথা বলত। কিছুদিন ধরে কোনো কারণে অবসাদে ছিল। ফলে পড়াশোনা নিয়ে বাবা-মায়ের বকুনির জন্য ওই ছাত্র আত্মঘাতী হয়েছে নাকি অন্য কোনো কারণে এই ঘটনা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এবিষয়ে অবশ্ কারও বিরুদ্ধে এখনও কোনো অভিযোগ হয়নি।

মনের জানালা

আপনি কি হতাশ? বিষণ্ণ বোধ করছেন? নিজেকে একলা মনে হচ্ছে খুব?

প্লিজ একটা ফোন করুন। একবার।

কলকাতা পুলিশের ১০০ ডায়াল করে সমস্যার কথা জানালে পুলিশও উপযুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সন্ধান দিতে পারে।

শহরের কয়েকটি প্রতিষ্ঠান

লাইফলাইন ফাউন্ডেশন: (০৩৩) ৪০৪৪-৭৪৩৭, ২৪৭৪-৪৭০৪/৫৮৮৬/৫২৫৫

ক্রিস্টাল মাইন্ডস: ৯২৩০৬১৬৭৫০, ৯৯০৩৩০২৬২১


শিশু কমিশনের উদ্যোগ

করোনা লকডাউনের জেরে পরিবারের আর্থিক সঙ্কট, নিকটজনের অসুস্থতা বা মৃত্যু মানসিক চাপ তৈরি করছে শিশুমনে। শিশুদের মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য নিখরচার হেল্পলাইন চালু করল পশ্চিমবঙ্গ শিশু অধিকার রক্ষা কমিশন।

সাইকোলজিস্ট/কাউন্সেলর

যশবন্তী শ্রীমানি ৮৭৭৭০৯৪৮৩৫ (সকাল ১১টা থেকে ১টা এবং বিকেল ৪টে থেকে সন্ধ্যা ৭টা)

সুবর্ণা সেন ৯৮৩০৪৩৪৬৮৫ (২৪X৭)

কনসালট্যান্ট সাইকিয়াট্রিস্ট

হেল্পলাইন: ইন্ডিয়া: ইন্টারন্যাশনাল বাইপোলার ফাউন্ডেশন: +91-8888817666

জীবন আস্থা হেল্পলাইন (টোল ফ্রি): 1800 233 3330
AASRA: 09820466726, 022-27546669/27546667/104

রোশনি ফাউন্ডেশন: 040-66202001, 040-66202000

চোখ রাখুন এই লিংকে: https://indianhelpline.com/SUICIDE-HELPLINE/

এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন

এই সময় ডিজিটালের বিনোদন সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

IPL 2020: দুবাইয়ে দুশ্চিন্তা! বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা; মহাবিপদে বিসিসিআই

Thu Sep 3 , 2020
তার চেয়েও দুশ্চিন্তার বিষয় করোনাভাইরাসের গ্রাফ বর্তমানে ঊর্ধ্বমুখী সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে। Source link

You May Like

Breaking News

Recent Posts