
হতাশ মুকুলকে সান্ত্বনা দিতে কৈলাশের বার্তা
সৌগত বলেন, উনি উড়ে এসে জুড়ে বসেছেন, বাংলা নিয়ে কিছু জানেন না। ২০১১-তেও তিনি ছিলেন না, ২০১৬-তেও ছিলেন না। মুকুল রায় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে গিয়ে তিন বছর কোনও পদ না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েছেন। তাই হতাশ মুকুলকে সান্ত্বনা দিতে ওই কথা বলছেন কৈলাশ।

পদ জোটেনি, মিছে মর্যাদা!
তৃণমূল সাংসদের কথায়, তৃণমূলে থেকে সব কিছু পেয়েছিলেন মুকুল রায়। তাঁকে উচ্চপদ দেওয়ার পাশাপাশি রেলমন্ত্রী পর্যন্ত বানিয়েছিলেন। আর সেই তিনি এখন বিজেপিতে গিয়ে পদহীন। তিনবছর হয়ে গেল বিজেপিতে গিয়েছেন। কিন্তু কোনও পদই জোটেনি। তাই পদ দিতে না পেরে মর্যাদা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। সবই ভোটের জন্য।

মমতাকে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসিয়েছিলেন মুকুল!
বিজেপির পর্যবেক্ষক কৈলাশ বিজয়বর্গীয় বিজেপিতে চাণক্যের মর্যাদা দিলেন মুকুল রায়কে। তিনি মুকুলকে বাংলার চাণক্য বলে অভিহিত করেই ক্ষান্ত হলেন না। তাঁর কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসিয়েছিলেন মুকুল রায়। এবার বিজেপিকে পরিবর্তনের স্বাদ দেবেন তিনিই।

বাংলার চাণক্য তৃণমূলকে হারিয়ে ফের পরিবর্তন আনবেন
কৈলাশ বোঝাতে চাইলেন, মুকুল রায়ই আসল রহস্য। মুকুল যখন তৃণমূলের চাণক্য ছিলেন তখন বাংলায় বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে পরিবর্তন এনেছিলেন। মমতাকে বসিয়েছিলেন বাংলার সিংহাসনে। এবার বিজেপিতে এসে বাংলার চাণক্য তৃণমূলকে হারিয়ে ফের পরিবর্তন আনবেন। ২০২১-এর বাংলায় ক্ষমতায় আসবে বিজেপি।

যিনি বানাতে পারেন, তিনি নামাতেও পারেন
শুক্রবার গণতন্ত্র বাঁচাও কর্মসূচি থেকে কৈলাশ বিজয়বর্গীয় বলেন, মুকুল রায় তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়ার পর অন্তত ৫০টি মামলা দায়ের হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভুলে যাচ্ছেন যিনি বানাতে পারেন, তিনি নামাতেও পারেন। মুকুল রায় বাংলার রাজনীতির চাণক্য, তিনিই মমতাকে মুখ্যমন্ত্রী বানিয়েছিলেন।
